শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

সাংবাদিকপুত্র নাভান মনির মাহিরের বৃত্তি লাভ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৫ পিএম
সাংবাদিকপুত্র নাভান মনির মাহিরের বৃত্তি লাভ

সারাদেশে পাঠকপ্রিয় জাতীয় দৈনিক ভোরের সময় পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মনির হোসেনের ছেলে নাভান মনির মাহির পঞ্চম শ্রেণী থেকে সরকারি (প্রাথমিক) বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে  বৃত্তি লাভ করেছেন।

ফরিদগঞ্জ বর্ণমালা কিন্ডারগার্টেনের পঞ্চম শ্রেণি থেকে ২০২৫ সালে পঞ্চম শ্রেণীর সরকারি বৃত্তি পরীক্ষা অংশগ্রহণ করেন মাহির ।

তার এই সাফল্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা দোয়া ও আনন্দ প্রকাশ করেছেন। মাহির তার শিক্ষক, বাবা-মা এবং সকল শুভাকাক্সক্ষীর দোয়া ও আশীর্বাদ চেয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল করতে পারে।

উল্লেখ্য, মাহির ২০২৪ সালে ৪র্থ শ্রেণী থেকে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন  বৃত্তি পরীক্ষা অংশগ্রহণ করেও  মাহির বৃত্তি লাভ করেছিলেন ।

Model Hospital

নাভান মনির মাহিরের পিতা সাংবাদিক মনির হোসেন. সুবিদপুর ওল্ড স্কীম দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, জাতীয় দৈনিক ভোরের সময় পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও , চাঁদপুর জেলা পাঠক প্রিয় দৈনিক ইলশেপাড় পত্রিকার সহকারী সম্পাদক এবং চাঁদপুর জজ কোর্টের শিক্ষানবিস এ্যাডভোকেট হিসেবে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন।

পাশাপাশি তিনি চাঁদপুর মেরিন হাসপাতাল ও কনসালটেন্ট সেন্টার ও চাঁদপুর মেহরাজ ফাস্টফুড এন্ড কফিশপ. মেহরাব কম্পিউটার এর সত্বাধিকারী। তাঁর সন্তানের ধারাবাহিক সাফল্যতার জন্য ও সু সন্তান হয়ে মানবিক মানুষ হয়ে সমাজ ও মানবতার কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে পারে সকলে কাছে দোয়া চেয়েছেন।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।