শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে মতলব উত্তরে চলছে অর্ধশতাধিক করাতকল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২, ১:৫০ পিএম
নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে মতলব উত্তরে চলছে অর্ধশতাধিক করাতকল

মতলব উত্তর ব্যুরো : মতলব উত্তরে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চলছে অর্ধশতাধিক করাতকল। মালিক লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনা করছে। এদের মধ্যে মাত্র ১৮টি করাতকল মালিক বন বিভাগের লাইসেন্স নিয়েছেন। আর বাকিরা লাইসেন্স করাটা প্রয়োজনই মনে করছেন না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মতলব উত্তর উপজেলার সুজাতপুর বাজার, ইসলামিয়া মার্কেট (নতুন বাজার), পাঁচআনী মোড়, ছেংগারচর বাজার, কালীপুর বাজার, নবুরকান্দি, বাংলা বাজার সহ কোথাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, আবার কোথাও পথ চলাচলের মূল সড়ক ঘেঁষে এসব কলগুলো গড়ে উঠেছে। তবে করাতকল (লাইসেন্স) বিধিমালা ২০১২/ক অনুচ্ছেদ বলছে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা গ্রামীণ হাট বাজারের ২০০ মিটারের মধ্যে করাতকল বসানো যাবে না।

আবার একটি থেকে অন্যটির দূরত্ব হতে হবে কমপক্ষে ৬ কিলোমিটার। কিন্তু এসব নিয়মনীতি কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ। বাস্তবে এসব নীতির কোনটাই মানছে না এখানকার করাতকল ব্যবসায়ীরা। তাছাড়া করাতকল বসাতে বন বিভাগের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হলেও মতলব উত্তরে গড়ে ওঠা বেশিরভাগ করাতকলেরই নেই লাইসেন্স। যেন দেখার কেউ নেই। কিন্ত খোদ বন কর্মকর্তার দাবি প্রশাসনকে সাথে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে একাধিক করাতকল মালিকের জরিমানা করেছেন।

উপজেলার নবুরকান্দি বাজারের করাতকল মালিক আলমগীর হোসেন মাঝি জানান, আমি গত চার বছর ধরে আমার করাতকল ব্যাবসা পরিচালনা করে আসছি, গত বছর আমি লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করেছি কিন্তু এখনো পর্যন্ত আমি লাইসেন্স পাইনি।

Model Hospital

এ বিষয়ে মতলব উত্তর উপজেলার বনবিভাগের দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রহমান বলেন, সরকারি সকল নিয়মনীতি ও করাতকল আইন মেনেই ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। তাদের লাইসেন্সের বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছি এবং লাইসেন্স করতে সহযোগিতা করে আসছি।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।