বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে খাস জমি উদ্ধার কাজ চলছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২, ২:৪৪ পিএম
ফরিদগঞ্জে খাস জমি উদ্ধার কাজ চলছে

এস এম ইকবাল : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরভার অন্দরে সরকারের যত খাস জমি রয়েছে তা চিহ্নিত করন ও উদ্ধার কাজ চলছে।

গত ৮ মার্চ চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসন (রাজস্ব) দাউদ হোসেন চৌধুরী ফরিদগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শনে আসলে উপজেলার সকল ইউনিয়নের খাস জমি চিহ্নিত করে সীমানা নির্ধারণ ও জমি উদ্ধার করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)কে। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষে ইউনিয়ন ভূমি অফিস সহকারি ও উপ-সহকারিরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে পৌর ভূমি কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম পাটওয়ারী জানান, পৌর এলাকায় ১৪.৬৯৩৬ একর খাস ভূমির মধ্যে ১০.৫৫ একর ভূমি সু-নির্দিষ্ট ভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পাইকপাড়া উত্তর ও পাইকপাড়া দক্ষিন ভূমি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক পাটওয়ারী জানান, পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নে ৩.৪৪ একর ও দক্ষিণ ইউনিয়নে ২.৬৪৫০ একর খাস ভূমি চিহ্নিত করা হয়েছে।

Model Hospital

সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো. আব্দুল সাত্তার জানান, সুবিদপুর ইউনিয়নে ৮.০৬ একর খাম ভূমি সনাক্ত করা হয়েছে। একই ভাবে উপজেলার বাকি ভূমি অফিসে এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

এই উপজেলায় সরকারি খাস জমি উদ্ধার কাজ সম্পন্ন হলে সরকারের বিশাল অংকের খাস জমি উদ্ধার ও সরকারি কোষাকারে রাজস্ব জমা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন ভূমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আজিজুন্নাহার বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারি খাস জমিগুলো সু-নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত না থাকায় অনেক ভূমি বেদখলে রয়েছে। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেও নির্দেশে সরকারি খাস ভূমি সঠিকভাবে চিহ্নিত কাজ সম্পন্ন হলে চাহিদা মোতাবেক সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যথাযথ পক্রিয়া লিজ প্রধান করা সম্ভব হবে। এতে সরকারি কোষাঘারে বিশাল অংকের রাজস্ব জমা হওয়ার মধ্যদিয়ে বঞ্চিত মানুষজন সুবিদা ভোগ করতে পারবে।

কচুয়ায় সরকারি শেডের ওপর দোকান নির্মাণ! প্রশাসনের নির্দেশে সরানো হলো স্থাপনা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০০ পিএম
কচুয়ায় সরকারি শেডের ওপর দোকান নির্মাণ! প্রশাসনের নির্দেশে সরানো হলো স্থাপনা
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৮নং কাদলা ইউনিয়নের রঘুনাপুর বাজারে হাটের সরকারি শেডের উপর থেকে দোকান নির্মাণ করার অভিযোগে প্রশাসনের নির্দেশে দোকান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম উপস্থিতি থেকে সরকারি শেডের উপর থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিলে পরবর্তীতে দোকান সরিয়ে নেয়।
স্থানীয়রা জানান,কাদলা মৌজার সাবেক ১৫৫০ দাগের বিএস বর্তমান ২২২৪/৩৭৫৯ এর ৫ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেন নুরুল ইসলাম বেপারী। ওই জায়গাটি ব্যক্তি মালিকানা দাবী করে নুরুল ইসলাম বেপারীর ছেলেরা সরকারি শেডের উপর একটি অস্থায়ী দোকান নির্মাণ করেন। এই দোকান নির্মাণ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মালিকানা জায়গা অথবা সরকারি জায়গা বলে কুতুহল সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে অভিযোগ করলে স্থানীয় ভূমি অফিস ও সাংবাদিকরা সরে জমিনে আসলে জায়গার মালিক নুরুল ইসলাম বেপারীর ছোট ছেলে ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম ৫ শতাংশ জায়গার সকল কাগজপত্র গুলো উপস্থাপনা করেন। খারিজ, দাখিলা, দলিল ও সকল কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে দেখে ওই জায়গার প্রকৃতি মালিক নুরুল ইসলাম বেপারী। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ইউনিয়ন ভূমিক কর্মকর্তা  সরকারি শেডের উপর দোকানটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। বাজারের চারপাশের নির্দিষ্ট পরিধি বা সীমানাভুক্ত (পেরিফেরি) জন্য অপেক্ষা করতে নূরুল ইসলাম বেপারীকে বলে যান ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা।
ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু নাছির স্যারের নির্দেশে সরকারি শেডের উপর থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হলে, দোকান সরিয়ে নেয়। জায়গার সঠিক কাগজপত্র থাকলে, বাজারের চারপাশের নির্দিষ্ট পরিধি বা সীমানাভুক্ত (পেরিফেরি) জন্য অপেক্ষা করতে নূরুল ইসলাম বেপারীকে বলা হয়েছে।
ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম বলেন, দোকান নির্মাণ করা হয়েছে, আমার বাবার ক্রয়কৃত জায়গায়।দলিল, খারিজ, দাখিলাসহ সকল কাগজপত্র রয়েছে আমাদের। একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এই জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দখলে রয়েছে, কয়েক বছর আগে কাউকে না জানিয়ে জোরপূর্বক ঠিকাদার ও এলাকার একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করে সরকারি শেড আমাদের জায়গার উপর নির্মাণ করেন। আমরা তখন বাধা দিলেও, তারা বাঁধা অপেক্ষা করেও শেড তৈরি করেন।