শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় মাদক ও অপকর্মের প্রতিবাদ করায় দুই যুবককে কুপিয়ে জখম 

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৯ এম
কচুয়ায় মাদক ও অপকর্মের প্রতিবাদ করায় দুই যুবককে কুপিয়ে জখম 

কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মো. হোসেন ও মো. শাহপরান।

​চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভাধীন কড়ইয়া এলাকায় মাদক ও নানা অপকর্মের প্রতিবাদ করায় মো. হোসেন (২৬) ও মো. শাহপরান (৩০) নামের দুই যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পৃথক দুটি ঘটনায় ভুক্তভোগীরা বাদী হয়ে কচুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

​জানা যায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছে। তাদের এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে স্থানীয় যুবকরা প্রতিবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তারা একাধিকবার হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। গত ৭ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার কড়ইয়া প্রাইমারী স্কুলের সামনে মো. হোসেনের ওপর চড়াও হয় অভিযুক্তরা। ​

অভিযুক্তরা হলেন,  মো. শরীফ (৩০), মো. মাসুদ (৪০), মো. রাসেদ (৩২), মো. শাকিল (২৬) এবং মো. হাসান (২৮)। তারা সবাই কচুয়া পৌরসভার কড়ইয়া এলাকার বাসিন্দা।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,  অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন তাকে বেদম মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন। এ সময় মো. মাসুদ হত্যার উদ্দেশ্যে হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র (ছোড়া) দিয়ে আঘাত করলে বাদীর বাম হাতের তালুতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।

Model Hospital

​এর রেশ কাটতে না কাটতেই গত শুক্রবার (৮ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে কড়ইয়া বিশ্বরোড এলাকায় মো. শাহপরান নামের আরেক যুবকের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় তিনি ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে বিবাদী করে কচুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযুক্তরা হলেন, মো. মাসুদ (৪০), মো. কবির (৪৫), মো. শরীফ (৩০), মো. সুফিয়ান (৩০), মো. রাসেদ (৩২), মো. শাকিল (২৬), মো. হাসান (২৮), মো. সুমন (২৬) এবং মো. ইসমাঈল (২৫)। তারা সবাই কচুয়া পৌরসভার কড়ইয়া এলাকার বাসিন্দা।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,  কড়ইয়া বিশ্বরোড এলাকার একটি কনফেকশনারী দোকানের সামনে পৌঁছালে অভিযুক্তরা দলবদ্ধ হয়ে শাহপরানের পথরোধ করে কিল-ঘুষি মারে। একপর্যায়ে প্রধান অভিযুক্ত মো. মাসুদ হত্যার উদ্দেশ্যে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মাথায় কোপ দিলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে শাহপরানের বাম পায়ের গোড়ালিতে লেগে রক্তাক্ত জখম হয়।

​পরপর দুটি হামলা ও মারধরের ঘটনায় আহত উভয় যুবক কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের অব্যাহত হুমকিতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত মাসুদের সাথে মুঠোফোনে ০১৮১১২৩৫৪৯৫ নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

​এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ আজিজুল ইসলাম আকাশ বলেন,  অভিযোগগুলোর তদন্ত চলছে এবং সত্যতা সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital