বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ডোবা থেকে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৭ পিএম
ফরিদগঞ্জে ডোবা থেকে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার
সকালে প্রতিদিনের মতো দোকানের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল অটোরিকশা মেকানিক ইব্রাহিম হাওলাদার (১৮)। কিন্তু এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। স্বজনদের দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর রাতে দোকানের পেছনের এক পরিত্যক্ত ডোবায় মিলল তার কাদা-মাটিতে মাখানো নিথর দেহ।
স্বজনদের দাবি-বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে লাশ উদ্ধারের স্থান ও আশেপাশে বিদ্যুতের কোনো সংযোগ না থাকায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র অসন্তোষ ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বইছে নানা গুঞ্জন, দানা বাঁধছে নানা রহস্য।
রবিবার (৯ আগস্ট) রাত সাড়ে আটটার দিকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে ইব্রাহিমের মরদেহ উদ্ধার করে তার পরিবারের সদস্যরা।
নিহত ইব্রাহিম ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব মাথায় মহছেন আউলিয়া হোটেল সংলগ্ন একটি দোকান ভাড়া নিয়ে অটোরিকশা মেরামতের কাজ করত।
তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তার পৈতৃক বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার কালাইয়া গ্রামে। তবে গত ১০-১২ বছর ধরে তার পরিবার ফরিদগঞ্জ কলেজ গেট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে। নিহত ইব্রাহিমের বাবা নয়া মিয়া হাওলাদার ফরিদগঞ্জ পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সরদার হিসেবে কর্মরত।
ইব্রাহিমের মা নয়নতারা  কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে সকাল ১১টার দিকে ঘর থেকে বের হয়ে বাসস্ট্যান্ডের গ্যারেজে যায়। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। বিকেল থেকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে রাতে গ্যারেজের পেছনের ডোবায় টর্চলাইটের আলো ফেলি। তখন দেখি আমার ছেলে কাদা-মাটিতে নিথর হয়ে পড়ে আছে।
এদিকে ঘটনাটিকে রহস্যজনক বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উদ্ধার হওয়া স্থান  দেখে বিষয়টি সাধারণ দুর্ঘটনা নয় বলে দাবি করছেন অনেকে।
স্কাথানীয় সাবেক উন্সিলর জাকির হোসেন গাজী জানান, রাত সাড়ে আটটার দিকে ইব্রাহিমের লাশ উদ্ধারের খবর শুনি। যেভাবে নিথর দেহটি উদ্ধার করা হয়েছে, তাতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা অত্যন্ত জরুরি। বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এরশাদ উল্লাহ জানান, সংবাদ পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।