বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতীয় পর্যায়ে সাফল্যে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের শুভেচ্ছা পেলেন সামিরা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
জাতীয় পর্যায়ে সাফল্যে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের শুভেচ্ছা পেলেন সামিরা

জাতীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জনকারী চাঁদপুর সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিরা মেহনাজ নুসরাত চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

জাতীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জনকারী চাঁদপুর সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিরা মেহনাজ নুসরাত চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সামিরা সম্প্রতি মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় রচনা প্রতিযোগিতায় সারা দেশে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। এর আগে তিনি প্রতিযোগিতাটিতে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

এ ছাড়া মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় রচনা প্রতিযোগিতায় সারা দেশে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন সামিরা। দুই প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে অর্জিত পুরস্কার তিনি যথাক্রমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর কাছ থেকে গ্রহণ করেন।

Model Hospital

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান সামিরার অসাধারণ সাফল্যের জন্য তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থীর এমন জাতীয় অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত গৌরব নয়, এটি চাঁদপুর জেলার জন্যও অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়।

জেলা প্রশাসক সামিরার মেধা, অধ্যবসায় ও সৃজনশীলতার প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও শিক্ষা, সাহিত্য ও গবেষণার ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখার পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সামিরা জেলা প্রশাসকের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মূল্যবান দিকনির্দেশনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে জেলা প্রশাসক ও সামিরা স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে আলোকচিত্রে অংশ নেন।

সামিরা মেহনাজ নুসরাত চাঁদপুর শহরের নাজিরপাড়ার বাসিন্দা। তাঁর বাবা জি এম শাহজাহান আহমেদ এবং মা মোসা. মোবাশ্বেরা আক্তার। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান মেলা, সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ, বাংলা রচনা, আবৃত্তি, উপস্থিত বক্তৃতা ও জাতীয় শিশু পুরস্কারসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন তিনি।

সামিরার ধারাবাহিক জাতীয় সাফল্য এবং জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে পাওয়া এই স্বীকৃতি তাঁর ভবিষ্যৎ পথচলায় নতুন অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁর এ অর্জন চাঁদপুরের অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জনে উৎসাহিত করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital