বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

তফসিলের আগেই জনদুর্ভোগ লাঘবে সড়ক সংস্কারে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু ফয়েজ

আবু সাঈদ, কচুয়া প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২০ পিএম
তফসিলের আগেই জনদুর্ভোগ লাঘবে সড়ক সংস্কারে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু ফয়েজ

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সড়ক সংস্কারে এগিয়ে এসেছেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ১২ নম্বর আশ্রাফপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও শিক্ষা মন্ত্রীর এপিএস এম. আবু ফয়েজ। ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চাংগিনী দক্ষিণপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকা একটি কাঁচা সড়ক তিনি নিজ অর্থায়নে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বর্ষণে চাংগিনী দক্ষিণপাড়ার মরহুম রুহুল আমিনের দোকান থেকে চাংগিনী দুর্গাবাড়ি (কোদালিয়া বাড়ি) পর্যন্ত সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সড়কটি দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে যানবাহন চলাচলও প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।

এলাকাটি হিন্দু অধ্যুষিত হওয়ায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরেও সড়কটির দুরবস্থা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। চাংগিনী দুর্গাবাড়িতে প্রায় ১০০ বছর ধরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর পূজাকে কেন্দ্র করে সেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে।

এ অবস্থায় সড়কটির দুরবস্থার বিষয়টি চেয়ারম্যান প্রার্থী এম. আবু ফয়েজের নজরে আসে। পরে তিনি ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন। তাঁর উদ্যোগে সংস্কারকাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

Model Hospital

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বর্ষা মৌসুম এলেই সড়কটি দিয়ে চলাচল প্রায় দুর্ভোগে পরিণত হয়। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজন থাকলেও কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। দুর্গাপূজার আগে ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় আপাতত মানুষের চলাচলে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করছেন তারা।

এম. আবু ফয়েজ বলেন, “মানুষের দুর্ভোগ দেখলে পাশে দাঁড়ানো উচিত। নির্বাচন কিংবা তফসিলের সঙ্গে জনসেবাকে মিলিয়ে দেখি না। সামর্থ্য অনুযায়ী এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি।”

স্থানীয়দের মতে, সড়কটির স্থায়ী সংস্কার প্রয়োজন। তবে দুর্গাপূজার আগে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাময়িক সংস্কারের ফলে আপাতত স্থানীয় বাসিন্দা ও পূজারীদের চলাচলে দুর্ভোগ কিছুটা কমবে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।