বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে জিআরএস অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৩ পিএম
চাঁদপুরে জিআরএস অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

চাঁদপুরে জিআরএস অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মিজ শাহানারা বেগম। পাশে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।

অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় চাঁদপুরে জিআরএস (অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা) ব্যবস্থাপনা বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক প্রধান করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মিজ শাহানারা বেগম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এরশাদ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নাজমুন নাহার, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীন, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এস এম জামিউল হিকমা, চাঁদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিমাদ্রী খিসা, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ লতিফ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁদপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহা. মিজানুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

Model Hospital

প্রশিক্ষণে সরকারি দপ্তরে নাগরিকদের অভিযোগ গ্রহণ, অভিযোগের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, দ্রুত নিষ্পত্তি, অভিযোগের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রধান প্রশিক্ষক মিজ শাহানারা বেগম সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও নাগরিকবান্ধব প্রশাসন নিশ্চিত করতে অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি জিআরএস ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব, অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া এবং নাগরিকদের অভিযোগ দ্রুত ও কার্যকরভাবে সমাধানের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রশিক্ষণে সরকারি দপ্তরগুলোর সেবা কার্যক্রমে নাগরিকদের অভিযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এতে সরকারি সেবার মানোন্নয়ন ও জনগণের সঙ্গে প্রশাসনের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রশিক্ষণে উল্লেখ করা হয়।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের ২০টি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি সরকারি সেবা আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধবভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে বাস্তবধর্মী ধারণা লাভ করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital