শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তি বহুমুখী সরকারি স্কুলের মাদকবিরোধী সভা ও র‌্যালি

অলি আল্লাহর আদর্শ অনুসরণ করলেই মাদক-জুয়া ও কিশোর গ্যাং থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করা সম্ভব’—ওসি মীর মাহবুবুর

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
অলি আল্লাহর আদর্শ অনুসরণ করলেই মাদক-জুয়া ও কিশোর গ্যাং থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করা সম্ভব’—ওসি মীর মাহবুবুর
শাহরাস্তিতে মাদকের ভয়াবহতা ও ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে মাদকবিরোধী এক  সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত শাহরাস্তি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের শ্রীপুর এলাকায়  শাহরাস্তি বহুমুখী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিদ্যালয় মাঠ থেকে শাহরাস্তি মাজার গেট পর্যন্ত মাদকবিরোধী র‌্যালি বের করা হয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে আয়োজিত সভায় মাদকের ভয়াবহতা, এর ক্ষতিকর প্রভাব, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়া, ইভটিজিং প্রতিরোধ এবং মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বক্তব্যের শুরুতে শাহরাস্তি বহুমুখী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম সিদ্দিক রহমান হেডমাস্টারের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি তাঁর আদর্শময় জীবন সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করে সেই আদর্শ অনুসরণ করে চলার আহ্বান জানান।
ওসি বলেন, ‘এখানে একজন অলি আল্লাহ শায়িত আছেন। তাঁর নামেই এ বিদ্যালয় ও এ উপজেলার নামকরণ করা হয়েছে। আমরা যদি এই মহান ধর্মপ্রচারক অলি আল্লাহর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে ইসলামী জীবনযাপন করি, তাহলে মাদক, জুয়া, কিশোর গ্যাংসহ চলমান সামাজিক অপরাধ যুবসমাজকে গ্রাস করতে পারবে না।
মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংস করে। শিক্ষার্থীদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে একযোগে কাজ করতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমাম হোসেন  বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মাদক ও ইভটিজিং থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত সচেতনতা কার্যক্রমের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সন্তানের প্রতি নজর রাখতে হবে।
শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুললেই মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।’ সভায় বক্তারা মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
পরে অনুষ্ঠিত মাদকবিরোধী র‌্যালিতে শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম, অন্যান্য পুলিশ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক – শিক্ষার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, র‌্যালিতে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন অংশগ্রহণ করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital