শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

এইচএসসিতে পাসের হার ৪৪.৮৮ শতাংশ

শাহরাস্তিতে ভোকেশনালে শতভাগ পাস, এইচএসসি ও আলিমে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
শাহরাস্তিতে ভোকেশনালে শতভাগ পাস, এইচএসসি ও আলিমে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সাধারণ এইচএসসি শাখায় পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। তবে এইচএসসি (ভোকেশনাল) শাখায় শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে, আলিম শাখায় পাসের হার ৫৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ। তিন শাখা মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৪ জন শিক্ষার্থী।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল বিবরণী অনুযায়ী, সাধারণ এইচএসসি শাখায় উপজেলার ৬ টি কলেজ থেকে ১ হাজার ৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৪৭৩ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৫৮১ জন। এ শাখায় পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে সূচীপাড়া ডিগ্রি কলেজ সর্বোচ্চ ৭০ দশমিক ১১ শতাংশ পাসের হার অর্জন করেছে।এ ছাড়া  চেড়িয়ারা স্কুল ও কলেজে ৬২ দশমিক ৩২ শতাংশ, খিলাবাজার স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪৮ দশমিক ১০ শতাংশ, মেহের ডিগ্রি কলেজে ৪০ দশমিক ৩২ শতাংশ, করফুলনেছা সরকারি মহিলা কলেজে ২৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং চিতোষী ডিগ্রি কলেজে ২৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছে।
এইচএসসি (ভোকেশনাল) শাখায় চিতোষী ডিগ্রি কলেজ থেকে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই পাস করেছে। ফলে এ শাখায় পাসের হার শতভাগ। তবে এ শাখায় কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।
অন্যদিকে, আলিম পরীক্ষায় উপজেলার ১০টি মাদ্রাসা থেকে ২৬৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৫৪ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ১১৪ জন। এ শাখায় পাসের হার ৫৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসা থেকে  ১জন এবং পরানপুর ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার পাসের হার ৭৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং পরানপুর ফাজিল মাদ্রাসার ৫৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ। আলিম শাখায় সর্বোচ্চ ৮১ দশমিক ৮২ শতাংশ পাসের হার অর্জন করেছে চিতোষী সুলতানিয়া ফাজিল মাদ্রাসা।
সার্বিক ফলাফল সম্পর্কে শাহরাস্তি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. কামরুজ্জামান বলেন, ভোকেশনাল শাখায় শতভাগ পাসের ফলাফল আশাব্যঞ্জক। তবে সাধারণ এইচএসসি ও আলিম শাখায় পাসের হার এবং জিপিএ-৫-এর সংখ্যা কম। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার কম এবং অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে আলোচনা করে ফলাফল পর্যালোচনা করা হবে। দুর্বলতার কারণ চিহ্নিত করে শিক্ষার মানোন্নয়ন, পাসের হার বৃদ্ধি এবং আগামীতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গভীর রাতে বিদ্যুৎ বিভাগের অভিযান! হাজীগঞ্জ-কচুয়া-শাহরাস্তিতে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৩২ এম
গভীর রাতে বিদ্যুৎ বিভাগের অভিযান! হাজীগঞ্জ-কচুয়া-শাহরাস্তিতে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার রোধ এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে বিশেষ নৈশ অভিযান পরিচালনা করছে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১। এরই ধারাবাহিকতায় সমিতির আওতাধীন হাজীগঞ্জ, কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর উদ্যোগে পরিচালিত এসব অভিযানে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার ও বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত অনিয়ম প্রতিরোধে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অভিযানের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বৈধ গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ও মিটারে কারচুপি শুধু বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ক্ষতি করে না, এটি জননিরাপত্তার জন্যও হুমকি। অনিরাপদ সংযোগের কারণে শর্টসার্কিট, অগ্নিকাণ্ড ও প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি অনুমোদনহীন অতিরিক্ত লোডের কারণে বিদ্যুতের ভোল্টেজে সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা বৈধ গ্রাহকদের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ক্ষতির কারণ হতে পারে।

অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

Model Hospital

অবৈধ সংযোগের তথ্য দিতে আহ্বান

নিজ নিজ এলাকায় কেউ অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে কিংবা বিদ্যুতের মিটারে কারচুপি করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১।

এ-সংক্রান্ত অভিযোগ ও তথ্য জানাতে ০১৭৬৯৪০০৩২৬ অথবা ১৬৮৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ। অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতা জরুরি। তাই বিদ্যুতের অপচয় ও চুরি রোধে সবাইকে বৈধ উপায়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার এবং অনিয়মের তথ্য দিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।