শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের দ্বিতীয় শাখার উদ্বোধন

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৬ পিএম
শাহরাস্তিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের দ্বিতীয় শাখার উদ্বোধন
শাহরাস্তিতে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের দ্বিতীয় শাখার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার শাহরাস্তি গেটের দোয়াভাঙা এলাকায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির নতুন এ শাখার উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সংসদ সদস্য লায়ন প্রকৌশলী মমিনুল হক এমপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে  মমিনুল হক এমপি বলেন, সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের দ্বিতীয় শাখার শুভ উদ্বোধনে আমি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। নতুন এই শাখার মাধ্যমে এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং নির্মাণসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মানসম্মত রড ও নির্মাণসামগ্রী সংগ্রহে আরও বেশি সুবিধা পাবেন বলে আশা করি। সততা, গুণগত মান ও ক্রেতাদের আস্থা বজায় রেখে প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে যাবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে, এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী মো. ইকবাল হোসেন। সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আলী আজগর মিয়াজী। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. ইকবাল হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্রেতা, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও নির্মাণসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহযোগিতা ও আস্থাকে পুঁজি করেই সুন্দরবন স্টিল কর্পোরেশন এগিয়ে যাচ্ছে। ব্যবসার শুরু থেকে ক্রেতাদের সঙ্গে বিশ্বস্ততা বজায় রাখা এবং মানসম্মত পণ্য সরবরাহের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মৌসুমে নির্মাণসামগ্রীর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের সেবা আরও সহজ করতে দ্বিতীয় শাখা চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও সততা, গুণগত মান ও প্রতিশ্রুতিশীল সেবার মাধ্যমে ক্রেতাদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রায় সহযোগিতাকারী সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ আয়েত আলী ভূঁইয়া, শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন পাটোয়ারী,হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী, হান্নান ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী আবদুল হান্নান, ঢাকা গাউছিয়া শপিং কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ী নেতা নজরুল ইসলাম মন্টু, ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী হাজী মহিন উদ্দিন, সেভেন রিং সিমেন্টের এরিয়া ম্যানেজার মোতালেব হোসেন,তাকদির হোসেন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবুল কালাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ বেলায়েত হোসেন সেলিম, লেয়াকত হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদ হোসেন।পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন নয়ন,সদস্য সচিব আলী আজগর মোল্লা, ছাত্রদলের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এবিএম পলাশ, সাধারণ সম্পাদক আজগর হোসেন মিয়াজি, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক সোলেমান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ  অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন শাহরাস্তি ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী মোঃ নিজাম উল হায়দার, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ইমরান হোসেন।
অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান। এ ছাড়া প্রকৌশলী, স্টেকহোল্ডার, ঠিকাদার, নির্মাণশ্রমিক, রাজমিস্ত্রি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা বলেন, মানসম্মত রড ও নির্মাণসামগ্রী সহজলভ্য হলে স্থানীয় পর্যায়ে বাড়িঘরসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণকাজ আরও সহজ ও গতিশীল হবে। নতুন শাখাটি এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারেও ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

‘সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের রাস্তায় পেলে গ্রেপ্তার করা হবে’ চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪১ পিএম
‘সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের রাস্তায় পেলে গ্রেপ্তার করা হবে’ চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি

‘সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলেপেলেদের যদি রাস্তায় পাওয়ায় যায়, তাহলে তাদের ধরা হবে, গ্রেপ্তার করা হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ প্রধান আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী (ডিআইজি)।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের পাবলিক লাইব্রেরিতে অবস্থিত শহীদ সুভাষ হলে আয়োজিত নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও সামাজিক অপরাধ দমন বিষয়ক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অভিভাবক ও শিক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ডিআইজি বলেন, ‘ছেলে-মেয়েদের উপরে আপনাদের নিয়ন্ত্রণ নেই, আমাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। যে সময়ে বই-খাতা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, তাদেরকে বিকেল বেলায় রাস্তায় প্রকাশ্যে ঘুরতে দেখা যায় এবং বিভিন্ন রকম অঙ্গভঙ্গিতে শিস মারতে দেখা যায়। এই ছেলে-মেয়েগুলো কার জন্য নষ্ট হচ্ছে, পারিবারিক শাসনটা কোথায়? এটা যদি থাকে তাহলে তো কিশোর গ্যাং তৈরি হয় না।’

তিনি বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কিশোর গ্যাং এই দেশ থেকে নির্মূল করব। কিশোর গ্যাং বলতে কিছু থাকবে না। এটি পুরোপুরি নির্মূল করতে আমাদের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

Model Hospital

সমাবেশে পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মাবুদ, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান ও জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, কক্সবাজার শহরটা ব্যতিক্রম। এখানে বহুমাত্রিক অপরাধ সংঘটিত হয়। জেলা পুলিশ সম্প্রতি অপরাধ দমনে কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সমাজের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ আয়োজিত এই সুধী সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।