শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সবাইকে টিকে থাকতে হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১, ৩:১১ পিএম
জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সবাইকে টিকে থাকতে হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম

মনিরুল ইসলাম মনির : মতলব উত্তর উপজেলার লুধুয়া হাইস্কুল ও কলেজের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. শামসুল আলম।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশ ও জাতি গঠনে শিক্ষার বিকল্প নেই। বর্তমান শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে কামনা করার পাশাপাশি প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর যেন ভালো ফলাফল করে উন্নত ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ জীবন গড়তে পারে সেই প্রত্যাশাই করে সকল শিক্ষার্থীকে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, জ্ঞান চর্চার কোনো বিকল্প নাই। লব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সবাইকে টিকে থাকতে হবে। জীবন যুদ্ধে টিকে থাকতে হলে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সকালে কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল। মতলব উত্তর উপজেলা নিবার্হী অফিসার গাজী শরিফুল হাসানের সভাপতিত্বে ও প্রফেসর কামরুজ্জামানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ মোঃ জাকির হোসেন।

Model Hospital

বক্তব্য রাখেন- মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. সাইফুল ইসলাম, অভিভাবক কামরুজ্জামান সরকার, লুধুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মিয়া মোঃ আসাদুজ্জামান, প্রভাষক ফজিলা পারভীন,শিক্ষার্থী তাসমিয়া হাসান তৃষা, মিতু আক্তার, সাদিয়া, হিমু খান।

মানপত্র পাঠ করেন- সাবরিনা কামাল কনক, খালিদ বিন ওয়ালিদ, সুমাইয়া আক্তার রিয়া, পুলক হাসান সামী, সামিয়া আক্তার, হাসিবুর রহমান নিলয়।

নাত পরিবেশন করেন- নাজমিন নাহার। গীতা পাঠ করেন- কৃষ্ণা রাণী। কোরআন তেলাওয়াত করেন- মো. মাহিদুল ইসলাম।

শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি সভা

শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম
শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

চাঁদপুরের শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রথম প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন বলেন, শতবর্ষ পূর্তি একটি ঐতিহাসিক ও গৌরবের আয়োজন। এ অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় ও সফল করতে এখন থেকেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ এবং আয়োজন বাস্তবায়নে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা জরুরি। তিনি সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শতবর্ষ উদযাপনকে ঘিরে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য ও পরামর্শ দেন।আলোচনা শেষে বিভিন্ন ব্যাচ থেকে দুজন করে সাবেক শিক্ষার্থী নিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া ২০২৭ সালের সুবিধাজনক সময়ে শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

Model Hospital

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ঈমাম হোসেন বলেন, ‘শতবর্ষ পূর্তি আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবের বিষয়। সাবেক শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক পরামর্শ ও সহযোগিতা ছাড়া এত বড় আয়োজন সফল করা সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চাই।

শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মরহুম সিদ্দিকুর রহমানসহ বিদ্যালয়ের সব প্রয়াত ও  শিক্ষকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।যে কয়জন জীবিত শিক্ষক রয়েছে তাদের সম্মাননা দেওয়া বিষয়ে অভিমত তুলে ধরা হয়।

একই সঙ্গে শতবর্ষের এই প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলার পেছনে যাঁরা ভূমি, অর্থ, শ্রম ও নানা ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে অবদান রেখেছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

বিশেষভাবে প্রয়াত প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বক্তব্য দেন। প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁরা বলেন, ‘সিদ্দিকুর রহমান স্যার শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক ও প্রিয় পথপ্রদর্শক। তিনি ছিলেন একজন মেধাবী ও আদর্শ শিক্ষক। আমরা তাঁর অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি চাই।

সভায় শতবর্ষ উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬ আহ্বায়ক কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সভায় সাবেক শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।