শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরের ১৪ ইউনিয়নে ৫৫৬ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ নভেম্বর, ২০২১, ৩:৪৯ পিএম
মতলব উত্তরের ১৪ ইউনিয়নে ৫৫৬ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

মতলব উত্তর ব্যুরো : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উৎসবমূখর পরিবেশে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে ১০ ইউনিয়নে ৩৫ চেয়ারম্যান ও ১৪টি ইউনিয়নে ৫২১ সদস্য প্রার্থীর (মোট ৫৫৬) প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ নভেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার স্ব স্ব রিটানিং অফিসার কার্যালয় হইতে বিভিন্ন প্রার্থীরা তাদের প্রতীক গ্রহণ করেন। প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধকে ঘিরে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর ছিলো বিভিন্ন প্রার্থীদের কর্মী ও সমর্থকদের মিছিলে মিছিলে মূখরিত। এর মধ্যদিয়ে শুরেু হয়ে গেছে নির্বাচনী প্রচারাণা।

ইতিমধ্যে উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে, ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নে, দূর্গাপুর ইউনিয়নে ও ইসলামাবাদ ইউনিয়নে ৪ চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৪ ও সাধারণ সদস্য পদে ৮জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আর বৃহস্পতিবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৭ চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ৭১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন চেয়ারম্যান পদে ৭ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৬ ও সাধারণ সদস্য পদে ৪৮জন প্রার্থী।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রিপন হোসেন সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আগামী ২৮ নভেম্বর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

Model Hospital

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রিপন হোসেন জানান, আগামী ২৮ নভেম্বর অনিুষ্ঠিতব্য তৃতীয় দফার ইউপি নির্বাচনে মতলব উত্তর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্ধ সম্পন্ন হয়েছে। আর বাকী ৪ ইউপিতে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় ওই ৪ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবেনা। অপর ১০ ইউপিতে প্রার্থী ও প্রতীক নিম্নরুপ-
ষাটনল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২ জন। তারা হলেন-বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী টানা ২ বারের চেয়ারম্যান একেএম শরীফ উল্লাহ সরকার আওয়ামীলীগ প্রতীক (নৌকা), মোঃ ফেরদাউস স্বতন্ত্র প্রতীক (আনারস)।

সাদুল্যাপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন। তারা হলেন-বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান লোকমান মুন্সী প্রতীক ( নৌকা), জেবায়ের আজিম স্বপন পাঠান স্বতন্ত্র প্রতীক (আনারস), তাজুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রতীক ঘোড়া) ও মাহবুবুর রহমান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতীক (হাতপাখা)।

বাগানবাড়ি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২ জন। তারা হলেন-টানা ২ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নান্নু মিয়া প্রতীক ( নৌকা), আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বতন্ত্র¿ প্রতীক ( আনারস)।

গজরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২ জন। তারা হলেন-আওয়ামী লীগের মনোনীত শহিদউল্লাহ প্রধান প্রতীক ( নৌকা) ও মফিজুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রতীক ( আনারস)।

সুলতানাবাদ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২ জন। তারা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী উম্মে হাবীবা সিফাত প্রতীক নৌকা, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক খোকন প্রতীক ( ঘোড়া)।

ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২ জন। তারা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী টানা দুই বারের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী প্রতীক ( নৌকা) ও নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী স্বতন্ত্র প্রতীক ( আনারস)।

কলাকান্দা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন। তারা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম কাদির মোল্লা প্রতীক (নৌকা), বর্তমান চেয়ারম্যান ছোবহান সরকার সুভা স্বতন্ত্র প্রতীক (আনারস), আব্দুল কাইয়ুম স্বতন্ত্র প্রতীক (টেলিফোন),মাওলানা আবু ইউসুফ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতীক (হাতপাখা) ও মো. বাবুল সরকার স্বতন্ত্র প্রতীক (ঘোড়া)।

ফরাজীকান্দি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪ জন। তারা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করীম প্রতীক (নৌকা), বর্তমান চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ স্বতন্ত্র প্রতীক (ঘোড়া), মোঃ কামাল গাজী স্বতন্ত্র প্রতীক (আনারস) ও সৈয়দ হোসেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতীক ( হাতপাখা)।

জহিরাবাদ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন ২ জন। তারা হলেন-বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাড.মনোয়ার হোসেন প্রতীক ( নৌকা), বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম গাজী প্রতীক স্বতন্ত্র ( আনারস)।

এখলাছপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাড.জসিম উদ্দিন আওয়ামীলীগ প্রতীক (নৌকা), মোঃ লিম ঢালী স্বতন্ত্র প্রতীক (আনারস), গিয়াস উদ্দিন গাজী স্বতন্ত্র প্রতীক ( ঘোড়া), মফিজুল ইসলাম স্বতন্ত্র¿ প্রতীক (মোটরসাইকেল) ও মো. মাসুদ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতীক (হাতপাখা)।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রিপন হোসেন জানান, ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচর সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করার জন্য ৬জন রিটানিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার প্রার্থীদের মধ্যে উৎসবমূখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্ধা দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীদের সবাইকে নির্বাচনী আচরনবিধি মেনে চরতে অনুরোধ করা হয়েচে। নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন রাখার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, মোহনপুর ইউনিয়নে চেয়ানম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাজী শামসুল হক চৌধুরী বাবুল, ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নে চেয়ানম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্তী নূর মোহাম্মদ, ইসলামাবাদ ইউনিয়নে চেয়ানম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাখাওয়াত হোসেন সরকার মুকুল ও দূর্গাপুর ইউনিয়নে চেয়ানম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোকারম হোসেন খান ওপেল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৪ ও সাধারণ সদস্য পদে ৮জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়।

এদিকে শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রার্থীরা রিটানিং অফিসার কর্তৃক প্রতীক বরাদ্ধ পেয়ে নির্বাচনী প্রচারাণায় মাঠে নেমে পড়েছেন।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’