বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জ বাগপুরে মসজিদের কাজ বন্ধ শিরোনামে মোবাশ্বের বেগম ও এলাকাবাসী বিবৃতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২, ৪:১৮ পিএম
ফরিদগঞ্জ বাগপুরে মসজিদের কাজ বন্ধ শিরোনামে মোবাশ্বের বেগম ও এলাকাবাসী বিবৃতি
গত ১৬ এপ্রিল চাঁদপুরের বিভিন্ন পত্রিকা ও কয়েকটি নিউজ পোর্টালে “ফরিদগঞ্জের বাগপুরে মহিলার মিথ্যা মামলায় মসজিদের কাজ বন্ধ” শিরোনামের বিবৃতি দিয়ছেন মোবাশ্বেরা বেগম ও এলাকাবাসী।
মোবাশ্বেরা বেগম জানায়, আমাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি কয়েকজন কুচক্রী মসজিদের দাবী করে তারা আমাদের সম্পত্তিতে জোর পূর্বক টয়লেট নির্মাণ করার চেষ্টা করে। আমি তাতে বাঁধা দেওয়ায় হাছান পাটওয়ারীসহ কয়েকজন মিলে আমাকে মারধর করার চেষ্টা করে। পরে আমি উপায় না পেয়ে আদালতের স্বরনাপন্ন হই এবং আদালত তাতে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন।
মোবাশ্বেরা বেগম আরো বলেন, মসজিদের যে পাশে তারা টয়লেট নির্মাণ করার চেষ্টা করে, উক্ত জায়গা আমার শশুরের সূত্রে আমার মালিক হই এবং এ জায়গার তিন পাশে পারিবারিক কবরস্থান রয়েছে। মসজিদের সাথে একজন মুসলমান হিসেবে আমার কোন দূরত্ব নেই। যাহারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে, তারা বিভিন্ন সময় আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছে। হাছান পাটওয়ারীসহ কয়েকজন কুচক্রী মহল সংবাদ কর্মীদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশন করেছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাই ও প্রতিবাদ জানাই।
এলাকাবাসী সিরাজ শেখসহ কয়েকজন জানায়, মসজিদ টয়লেট নির্মাণের জন্য কালাম পাটওয়ারীর ছেলে মাহাবুব আলম পাটওয়ারী জায়গা দেওয়ার কথা বললেও হাছান পাটওয়ারী গংরা জোরপূর্বক মোবাশ্বেরা বেগমের জায়গায় টয়লেট নির্মাণের পায়তারা করছে।
তারা আরো বলেন, সিরাজ শেখ টয়লেট নির্মাণের জন্য ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বললেও তারা তাতে কর্নপাত না করে জোর পূর্বক টয়লেট নির্মাণ করার চেষ্টা করে। মসজিদ সংলগ্ন এবং তিন পাশে কবরস্থান রেখে টয়লেট নির্মাণ কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।