বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচর চেয়ারম্যান বাজার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ভরসা শিক্ষার্থীদের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২, ৭:১৫ পিএম
হাইমচর চেয়ারম্যান বাজার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ভরসা শিক্ষার্থীদের
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি : হাইমচর উপজেলার চেয়ারম্যান বাজার সংলগ্ন ঝুকিপূর্ণ সাঁকো, আতঙ্কে অর্ধ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। সাঁকোতে রয়েছে ২টি ওয়ার্ডের প্রায় ২ সহস্রাধিক মানুষের যাতায়াত। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিশু, কিশোর, বয়োবৃদ্ধ সহ বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মানুষজন ঝুকিপূর্ণ এ সাঁকো পার হয়ে গন্তব্যে যেতে হয়। এ সাঁকো ব্যবহারে জনজীবনে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।
জানা যায়, এ সাঁকো পার হতে গিয়ে পা পিছলে ও আচমকাই সাঁকো থেকে পড়ে ৫ শিশু এবং বয়োবৃদ্ধ আহত হয়েছে। সে ঘটনায় স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকোটি কিছুটা মেরামত করলেও কিঞ্চিৎ পরিমাণ ঝুঁকিও কমেনি সাঁকোর। জীবনের মায়ায় খালে থাকা কোমর পরিমাণ পানি উপেক্ষা করে হেঁটে পার হচ্ছেন অনেকেই। তাদের স্বাভাবিক চলাচলের সুবিধার্থে সাঁকোর পরিবর্তে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হলে চরাঞ্চলবাসীর জীবনযাত্রা সহজতর হবে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নীল কমল ইউনিয়নের সিকদার ট্যাগ ট্রলার ঘাট থেকে চেয়ারম্যান বাজার সংলগ্ন খালের উপর সাঁকো থাকায় দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যন্ত যাতায়াত সম্ভব হয়না। শিক্ষার্থীরা সাঁকোর পাড়ে নেমে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হয়ে স্কুলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে। শিশু ও বয়োবৃদ্ধ সহ অনেকেই হাঁটু সমান পানি কিংবা কোমর পরিমাণ পানি উপেক্ষা করে খাল পার হচ্ছেন। এভাবেই জীবনযুদ্ধে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডবাসীর। সাঁকো পার হয়ে ৩৯ নং দক্ষিণ নীল কমল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগনের দাবি সাঁকোর পরিবর্তে একটি ব্রিজ নির্মাণ করে জনদূর্ভোগ লাগব করে চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়ার।
৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ভুক্তভোগী আবদুল ওয়াহিদ সিকদার জানান, চেয়ারম্যান বাজার সংলগ্ন খালের উপর এ সাঁকোটি আমাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা। বারংবার শুনে আসছি শীঘ্রই এ সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু বছরের পর বছর পার হলেও ব্রিজ, কালভার্ট কিংবা কাঠের সাঁকোর ব্যবস্থা হয়নি আজও। তাই এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা সহ কার্যকর প্রদক্ষেপ নিতে বিনীত অনুরোধ করছি।
৩৯নং দক্ষিণ নীল কমল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিয়াকত আলী জানান, আমাদের স্কুলে সাড়ে ৩শ’ শিক্ষার্থী রয়েছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থী এ সাঁকো পার হয়ে স্কুলে আসতে হয়। ঝুঁকি নিয়ে আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এ সাঁকো পার হয়ে স্কুলে আসে। সর্বদাই আতঙ্কে থাকতে হয় কখন কার হতাহতের সংবাদ আসে। চলতি বছর আমাদের কয়েকজন শিক্ষার্থী এ সাঁকো থেকে পড়ে আহত হয়েছে।
তাই, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে চেয়ারম্যান বাজার সংলগ্ন খালের উপর সাঁকোর পরিবর্তে একটি ব্রিজ নির্মাণ করার জন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনির সুদৃষ্টি কামনা করছি।
৪নং নীল কমল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সউদ আল নাছের বলেন, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী সংযোগস্থলে চেয়ারম্যান বাজার সংলগ্ন সাঁকোটি শিক্ষার্থী ও বয়োবৃদ্ধদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সেখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হলে দুটি ওয়ার্ডের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজতর ও উন্নত হবে। তাই ঝুকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোর যায়গায় একটি ব্রিজ নির্মাণ করে শিক্ষার্থী ও বয়োবৃদ্ধসহ সকলের চলাচল স্বাভাবিক করতে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital