ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দূর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে ৬ বছর পঙ্গুত্ব নিয়ে বিছানায় রিপনের মানবেতর জীবনযাপন

এস এম ইকবাল : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমান রিপন (৩৫)। ৬ বছর ধরে পঙ্গুত্ব নিয়ে বিছানায় মানবেতর জীবনযাপন কাটাচ্ছে। দুর্ঘটনায় পঙ্গু ছেলের চিকিৎসা ও দুমুঠো খাওয়ার অন্যের দ্বারে ঘুরছেন বিধবা মা রহিমা বেগম। ছেলের চিকিৎসা খরচ চালাতে সহায় সম্বল বিক্রি করেও সুস্থ্য করা সম্ভব হয়নি। শুধু মাত্র ঘর ভিটি ছাড়া কিছুই নাই। তাও আবার যে ঘরটিতে বসবাস করছে, তাতে বসবাস করা দুস্কর।

Model Hospital

জানা যায়, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে ঢাকার উত্তরায় অটোরিক্সা চালাতে গিয়ে মারাত্মকভাবে দূর্ঘটনার স্বীকার হয় আব্দুর রহমান রিপন। এতে তার কোমর ভেঙে যায়। দীর্ঘদিন সহায় সম্বল বিক্রি করে ও মানুষের সহায়তায় চিকিৎসা নিলেনও সুস্থ হয়ে উঠেনি এবং সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যায়। বর্তমানে কর্মক্ষম রিপন ৭০ বছর বয়সী মা রহিমা বেগমকে নিয়ে বসবাস অযোগ্য জরাজীর্ণ একটি ঘরে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

মা রহিমা বেগম বলেন, স্বামীকে হারিয়ে ছেলেকে নিয়ে কোন ভাবে জীবন চলে যাচ্ছিল। সড়ক দূর্ঘটনায় ছেলে পঙ্গু হয়ে বিছানায় পড়ে আছে। আমি অসুস্থ হলে ছেলে আমার হাড়া খেদমত করবে বলে কেঁদে উঠে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ৮ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল

দূর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে ৬ বছর পঙ্গুত্ব নিয়ে বিছানায় রিপনের মানবেতর জীবনযাপন

আপডেট সময় : ০৩:২৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১

এস এম ইকবাল : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমান রিপন (৩৫)। ৬ বছর ধরে পঙ্গুত্ব নিয়ে বিছানায় মানবেতর জীবনযাপন কাটাচ্ছে। দুর্ঘটনায় পঙ্গু ছেলের চিকিৎসা ও দুমুঠো খাওয়ার অন্যের দ্বারে ঘুরছেন বিধবা মা রহিমা বেগম। ছেলের চিকিৎসা খরচ চালাতে সহায় সম্বল বিক্রি করেও সুস্থ্য করা সম্ভব হয়নি। শুধু মাত্র ঘর ভিটি ছাড়া কিছুই নাই। তাও আবার যে ঘরটিতে বসবাস করছে, তাতে বসবাস করা দুস্কর।

Model Hospital

জানা যায়, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে ঢাকার উত্তরায় অটোরিক্সা চালাতে গিয়ে মারাত্মকভাবে দূর্ঘটনার স্বীকার হয় আব্দুর রহমান রিপন। এতে তার কোমর ভেঙে যায়। দীর্ঘদিন সহায় সম্বল বিক্রি করে ও মানুষের সহায়তায় চিকিৎসা নিলেনও সুস্থ হয়ে উঠেনি এবং সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যায়। বর্তমানে কর্মক্ষম রিপন ৭০ বছর বয়সী মা রহিমা বেগমকে নিয়ে বসবাস অযোগ্য জরাজীর্ণ একটি ঘরে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

মা রহিমা বেগম বলেন, স্বামীকে হারিয়ে ছেলেকে নিয়ে কোন ভাবে জীবন চলে যাচ্ছিল। সড়ক দূর্ঘটনায় ছেলে পঙ্গু হয়ে বিছানায় পড়ে আছে। আমি অসুস্থ হলে ছেলে আমার হাড়া খেদমত করবে বলে কেঁদে উঠে।