বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মিলাদ দোয়া ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে চাঁদপুর কণ্ঠের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২, ১২:৪৬ পিএম
মিলাদ দোয়া ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে চাঁদপুর কণ্ঠের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন

১৭ জুন ছিল চাঁদপুর কণ্ঠের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আনন্দঘন এ দিনটি সংক্ষিপ্ত আয়োজনে উদ্যাপন করা হয়। পত্রিকা কার্যালয় শহরের স্ট্র্যান্ড রোডস্থ ডাঃ এমএ গফুর সাহেবের বিল্ডিংয়ে গতকাল বিকেলে এ উপলক্ষে মিলাদ, দোয়া, কেক কাটা ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মুনাজাত শেষে পত্রিকার উপর সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক আলহাজ্ব অ্যাডঃ ইকবাল বিন বাশার ও প্রধান সম্পাদক কাজী শাহাদাত। আরো বক্তব্য রাখেন পত্রিকার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন মিলন এবং সাবেক নির্বাহী সম্পাদক আলহাজ্ব মির্জা জাকির।

ইকবাল বিন বাশার তাঁর বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুর কণ্ঠ পত্রিকাটি যে নীতি এবং আদর্শকে সামনে রেখে পথচলা শুরু করেছে, সে নীতি এবং আদর্শের উপর এখনো অটল রয়েছে। এটাই পত্রিকার মালিক হিসেবে আমার সার্থকতা। এ পত্রিকাটি কখনো কোনো দলের বা কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠীর মুখপত্র হয়নি এটাই আমার আত্মতৃপ্তি। চাঁদপুর কণ্ঠ সবসময় লুটেরা, দুর্নীতিবাজ, দখলবাজের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল এখনো আছে। যখনই তাদের বিরুদ্ধে চাঁদপুর কণ্ঠ পরিবার কলম ধরে, তখনই আমাদের বিরুদ্ধে নানা অপবাদ কুৎসা রটায় এবং হুমকি ধমকি দেয়। এসবে আমরা মোটেই ভীত নই, বিচলিত নই। সকল ষড়যন্ত্র বাধা অতিক্রম করে চাঁদপুর কণ্ঠ এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্।

চাঁদপুর কণ্ঠ পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে এটাই আমাদের প্রাপ্তি। তিনি পত্রিকাটি প্রকাশের সময়কালের গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্মৃতি তুলে ধরেন।
প্রধান সম্পাদক কাজী শাহাদাত তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই পত্রিকাটির সাথে প্রকাশনার শুরু থেকে এখনো পর্যন্ত আছি। পত্রিকার মালিক আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় ইকবাল বিন বাশার সাহেবের সাথে শুরুতেই আমাদের যে অঙ্গীকার ছিল, এখনো তা অটুট আছে। তিনি এ পর্যন্ত পত্রিকার উপর কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করেন নি। এটিকে কোনো দলের মুখপত্র বানান নি। সে জন্যে তাঁর প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা। আমাদের নিরপেক্ষতা এবং দুষ্ট দুরাচারদের প্রতি আপসহীনতার কারণে নানা সময় নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। আল্লাহর অশেষ রহমত এবং পাঠকদের ভালোবাসায় সে সময়গুলো আমরা অতিক্রম করে আসছি। ইনশাআল্লাহ্ সামনেও পারবো। সে জন্যে সকলের দোয়া কামনা করছি।

Model Hospital

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন চাঁদপুর কণ্ঠের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাওঃ আব্দুর রহমান গাজীর ছেলে হাফেজ মহিবুর রহমান মহিবুল্লাহ। মিলাদ, দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওঃ আব্দুর রহমান গাজী।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর কণ্ঠের বার্তা সম্পাদক এএইচএম আহসান উল্লাহ, উপদেষ্টা ডাঃ পীযূষ কান্তি বড়ুয়া, চীফ রিপোর্টার বিমল চৌধুরী, ম্যানেজার সেলিম রেজা, বিশেষ প্রতিনিধি মিজানুর রহমান, চীফ ফটোগ্রাফার চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম, বিশেষ প্রতিনিধি সাইফুল আজম, ডাঃ মোজাম্মেল হক, সার্কুলেশন ম্যানেজার সোহাঈদ খান জিয়া, শহর প্রতিনিধি বাদল মজুমদার প্রমুখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital