বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের পাশে থাকা প্রতিটি মুসলমানের দায়িত্ব;  মেয়র আবুল খায়ের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০২২, ১২:৩০ পিএম
দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের পাশে থাকা প্রতিটি মুসলমানের দায়িত্ব;  মেয়র আবুল খায়ের

এস. এম ইকবাল : ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসার মহামুল্যবান কিতাব সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় সেলফসহ স্থাপনা নির্মাণে অনুদান প্রদান করেছে ফরিদগঞ্জ পৌরসভা।

২৮জুন মঙ্গলবার দুপুরে পৌরসভা কার্যালয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. এ কে এম মাহবুবুর রহমানের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন পৌর মেয়র উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি যুদ্ধাহত বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন, জায়েদ হোসেন বাবুল পাটওয়ারী, আমিন মিজি, পৌরসভার ক্যাশিয়ার গিয়াস উদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক মামুুনুর রশিদ পাঠান, নুরুন্নবী নোমান, প্রবীর চক্রবর্তী প্রমূখ।

এসময় মেয়র আবুল খায়ের পাটওয়ারী বলেন, একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের পাশে থাকা প্রতিটি মুসলমানের দায়িত্ব। আমি জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর পৌর এলাকার সকল দ্বীনি প্রতিষ্ঠানগুলোর খোঁজ খবর রাখছি। তাদেরকে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

Model Hospital

সেই অনুযায়ী এই অঞ্চলের সর্ববৃহত দ্বীনি প্রতিষ্ঠান ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসাকে তাদের কিতাব সংরক্ষণে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে এক লক্ষ টাকার অনুদান প্রদান করা হলো। পরে দেশ ও জাতির জন্য বিশেষ মুনাজাত করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. এ কে এম মাহবুবুর রহমান।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।