ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

৬ তরুণ-তরুণীকে বেঁধে গণপিটুনি

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরে ছয় তরুণ-তরুণীকে বেঁধে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে লোকজন। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি হাতকড়া ও তিনটি ছুরিসহ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

Model Hospital

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) দুপুরে সদর উপজেলার মান্দারীর যাদৈয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক ঘটনা সমাধান করতে ফেনী থেকে এসে তারা নিজেদের ‘মানবাধিকারকর্মী’ পরিচয়ে পরিবারের লোকজনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধর করেছিলেন। পরে তাদের বেঁধে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন শ্যামলী আক্তার চাঁদনী, আঞ্জুমা আক্তার, মহিউদ্দিন, মো. নুরনবী, বোরহান উদ্দিন ও মেহেদি হাসান। তারা ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, কয়েক অনুসারী নিয়ে সোমবার (১১ জুলাই) সকালে মাইক্রোবাসযোগে মান্দারীর যাদৈয়া গ্রামে আসেন শ্যামলী। তারা নিজেদের ‘মানবাধিকারকর্মী’ পরিচয় দেন। তারা আসলাম জমাদার বাড়ির ইমরান হোসেনের ঘরে ঢোকেন। এ সময় ইমরানের বোনের প্রবাসী স্বামী জসিমের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ সমাধানের প্রস্তাব দেন।

একপর্যায়ে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আবার আসবেন বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। মঙ্গলবার (১২ জুলাই) দুপুরে দুই তরুণীসহ চার যুবক আবারও মাইক্রোবাসযোগে ওই বাড়িতে আসেন। ওই বাড়ির শাহাদাত হোসেন ও ইমরান হোসেনের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়। তারা পরিবারের লোকজনকে ভয়ভীতি দেখান এবং মারধর করেন।

খবর পেয়ে বাড়ি ও আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে ছয়জনকে বেঁধে পিটুনি দেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি হাতকড়া ও তিনটি ছুরিসহ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন বলেন, শ্যামলী কিছুটা মানসিক রোগী। দুই পক্ষই পরস্পরের আত্মীয়-স্বজন। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বহিরাগতদের বিরুদ্ধে মামলা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানের আগেই ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিশন’ দাবি নতুনধারার

৬ তরুণ-তরুণীকে বেঁধে গণপিটুনি

আপডেট সময় : ০৩:২৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরে ছয় তরুণ-তরুণীকে বেঁধে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে লোকজন। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি হাতকড়া ও তিনটি ছুরিসহ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

Model Hospital

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) দুপুরে সদর উপজেলার মান্দারীর যাদৈয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক ঘটনা সমাধান করতে ফেনী থেকে এসে তারা নিজেদের ‘মানবাধিকারকর্মী’ পরিচয়ে পরিবারের লোকজনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধর করেছিলেন। পরে তাদের বেঁধে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন শ্যামলী আক্তার চাঁদনী, আঞ্জুমা আক্তার, মহিউদ্দিন, মো. নুরনবী, বোরহান উদ্দিন ও মেহেদি হাসান। তারা ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, কয়েক অনুসারী নিয়ে সোমবার (১১ জুলাই) সকালে মাইক্রোবাসযোগে মান্দারীর যাদৈয়া গ্রামে আসেন শ্যামলী। তারা নিজেদের ‘মানবাধিকারকর্মী’ পরিচয় দেন। তারা আসলাম জমাদার বাড়ির ইমরান হোসেনের ঘরে ঢোকেন। এ সময় ইমরানের বোনের প্রবাসী স্বামী জসিমের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ সমাধানের প্রস্তাব দেন।

একপর্যায়ে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আবার আসবেন বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। মঙ্গলবার (১২ জুলাই) দুপুরে দুই তরুণীসহ চার যুবক আবারও মাইক্রোবাসযোগে ওই বাড়িতে আসেন। ওই বাড়ির শাহাদাত হোসেন ও ইমরান হোসেনের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়। তারা পরিবারের লোকজনকে ভয়ভীতি দেখান এবং মারধর করেন।

খবর পেয়ে বাড়ি ও আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে ছয়জনকে বেঁধে পিটুনি দেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি হাতকড়া ও তিনটি ছুরিসহ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন বলেন, শ্যামলী কিছুটা মানসিক রোগী। দুই পক্ষই পরস্পরের আত্মীয়-স্বজন। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বহিরাগতদের বিরুদ্ধে মামলা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।