বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে পঁচা চামড়ার দূর্গন্ধে পথচারিদের দূর্ভোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০২২, ৬:১৭ পিএম
ফরিদগঞ্জে পঁচা চামড়ার দূর্গন্ধে পথচারিদের দূর্ভোগ

এস. এম ইকবাল : ফরিদগঞ্জ- খাজুরিয়া আঞ্চলিক সড়কের রুপসা বাজারে কোরবানির পশুর চামড়া স্তুপ করে রাখা হয়েছে। এসব চামড়া পঁচে যাওয়ায় রূপসা বাজারের ব্যবসায়ী, ক্রেতা, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং জনসাধারনরে চলাচলে দুর্ভোগের কারণ হয়ে ওঠেছে।

ঈদের দিন ১০ জুলাই সন্ধ্যা থেকে ২৪ জুলাই রবিবার পর্যন্ত এলাকার কোরবানির পশুর চামড়াগুলো জড়ো করে স্তুপাকারে এখানে রেখে দেওয়া হয়েছে। চামড়ার দুর্গন্ধে পথচারিরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

এ ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আমির হোসেন মুন্সি ওরফ নফর মুন্সিসহ কসাই আক্তার হোসেন প্রতি বছরই কোরবানির পশুর চামড়া কিনে এ ব্যস্ততম সড়কের পাশে স্তুপাকারে রেখে দেন। সেগুলো পঁচে প্রক্রিয়াজাত করার উপযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এখানেই স্তুপাকারে পড়ে থাকে। ফলে চামড়ার দুর্গন্ধে পথচারীরা চরম দুর্ভোগ পোহান। দুর্গন্ধে এলাকার বাতাস দূষিত হয়ে আশপাশের লোকজন নানা রোগব্যাধীতে আক্রান্ত হয়। পঁচা চামড়া থেকে উঠা মাছিগুলো আশেপাশে বসবাসরত বাড়িঘরে প্রবেশ করে খাবারের পাত্রে বসে রোগজীবানু ছড়াচ্ছে। ফলে এলাকাবাসীর ভোগান্তির শেষ নেই। আঞ্চলিক মহাসড়কে চলাচলরত বিভিন্ন গাড়ীর যাত্রীদেরকেও নাকে মুখে ঠেঁসে রুমাল ধরে এলাকাটি পার হতে হয়।

বাজার ব্যবসায়ী, পথচারী ও স্কুল, মাদ্রাসা পড়ুয়া কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা জানান, প্রকাশ্যে সড়কের পাশে এভাবে চামড়া ফেলে পরিবেশের ক্ষতি করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

Model Hospital

ছাত্র-ছাত্রীরা আরোও জানান, আমরা প্রতিনিয়ত স্কুল, মাদ্রাসায় যাতায়াতের সময় নাক, মুখ ডেকে অনেক কষ্টে যেতে হয়।
এ ব্যাপারে চামড়া ব্যবসায়ী আমির হোসেন মুন্সি ওরফে নফর মুন্সি বলেন, আমি দীর্ঘদিন ঠিকাদারি করেছি, কাজ না থাকায় চামড়ার ব্যবসা করছি, দুরে কোথায়ও চামড়া রাখার ব্যবস্থা না থাকায় এখানে রেখেছি। সহসাই সরিয়ে পেলার চেষ্টা করছি।

এ বিষয়ে বাজার ইজাড়াদার নজরুল ইসলাম সুমন জানান, আমি বেশ কিছুদিন অসুস্থ থাকায় বাজারে জেতে পারি নাই। তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, চামড়ার পচাঁ দূর্গন্ধে চলাচলের সমস্যা হচ্ছে। তিনি চামড়া মজুদ কারিকে দ্রুত বাজার থেকে চামড়া সরিয়ে নিতে বলবেন বলে জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসলিমুন নেছার কাছে বক্তব্য জানতে একদিক বার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, চামড়া যেহেতু জাতিয় সম্পদ, সেহেতু এ বিষয়টি যেনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে বলবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital