শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে চাচার হামলায় ভাতিজা হসপিটালে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২, ৩:৩৯ পিএম
হাইমচরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে চাচার হামলায় ভাতিজা হসপিটালে
হাইমচর ব্যুরো : হাইমচরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে চাচার হামলায় ভাতিজা গুরুতর আহত হয়েছে।
গত ১৮ জুলাই সোমবার আলগী দূর্গাপুর দক্ষিন ইউনিয়নের পূর্বচরকৃষ্ণপুর গ্রামে মৃত রশিদ বেপারীর ছেলে চাচা নুর মোহাম্মদ এর হামলায় ভাতিজা শাহেদ হোসেন মিঠু (২৬)  গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আহত শাহেদ হোসেন মিঠু চাঁদপুর কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানাজায়, শাহেদ হোসেন মিঠুর বাবা আলী আহমেদ বেপারী ও তার চাচা নূর মোহাম্মদ(৪০) এর সাথে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধ নিরসনে একাধিকবার শালিস দরবার হলেও চাচা নুর মোহাম্মদ দরবার শালিসির রায় মান্য না করে তিনি হাইমচর থানায় আলী আহমেদ বেপারী ও তার স্ত্রী সন্তানদের আসামী করে মামলা করেন। ঐ মামলায় ১ নং আসামী আলী আহমেদ বেপারী জেল হাজতে থাকায় তার ছেলে শাহেদ হোসেন মিঠু ও তার পরিবারের লোকজন অসহায় অবস্থায় জীবনযাপন করেন। সেই সুযোগে গত ১৮ জুলাই নূর মোহাম্মদ ও তার ছলে এবং মেয়েদের নিয়ে পূর্ব পরিকল্পীত ভাবে ভাতিজা শাহেদ হোসেন মিঠুকে ডেকে নিয়ে ধারালো দা, ছেনী, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে ভাবে রক্তাক্ত জখম করে। শাহেদ হোসেন মিঠুর চিৎকারে আশে পাশের লোকজক এগিয়ে এসে তাকে হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত চিকৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন। এ ঘটনায় ন্যায় বিচারের স্বার্থে চাচার বিরুদ্ধে ভাতিজা গত ২০ জুলাই চাঁদপুর কোর্টে মামলা দায়ের করেন।
আহত শাহেদ হোসেন মিঠু জানান, আমার বাবা ও চাচাদের সাথে দীর্ঘ দিন থেকে সম্পত্তিগত বিরোধ চলে আসছে। বিরোধকে কেন্দ্র করে কয়েকবার দরবার হলেও আমার চাচা নূর মোহাম্মদ কোন ভাবেই দরবার শালিসি না মেনে আমার বাবার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেলে পাঠায়। আমাকে আমার বাবার অনুপস্থিতিতে আমার উপর হামলা করে গুরুতর আহত করে। আমার হাতে ও মাথায় এখনো সিলাই রয়েছে। এ ঘটনায় আমি চাঁদপুর আদালতে চাচাকে আসামী করে মামলা দিলে তারা সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার ও আমার বাবার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করে। আমি ও আমার পরিবারের লোকজন বর্তমানে খুবই অসহায় অবস্থায় জীবনযাপন করছি। আমার চাচা আমাদেরকে বর্তমানে অনেক ভয়ভীতি দেখিয়ে যাচ্ছেন। আমরা সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার পরিসমাপ্তি চাই।
ইউপি চেয়ারম্যান সরদার আব্দুল জলিল মাস্টার জানান, তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে একাধিকবার দরবার শালিসি করেও সমাধান করা সম্ভব হয়নি। তারা উভয় পক্ষ মামলায় মোকাদ্দামায় গিয়েছে। তারা উভয় পক্ষ মিমাংসা চাইলে আমরা তা সমাধান করার চেষ্টা করবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital