বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাষাবাদ করার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২, ৭:৩০ পিএম
মতলব উত্তরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাষাবাদ করার অভিযোগ

মতলব উত্তর ব্যুরো : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মধ্য টরকী গ্রামে বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাষাবাদ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সোমবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে টরকী গ্রামের রইস আঃ রব কর্তৃক চাষাবাদ করার জন্য ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করা হচ্ছে। ওই জমি নিয়ে মামলার প্রেক্ষিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় বাদী মোঃ গোলাম কিবরিয়া সহ এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, টরকী মৌজার সাবেক ১৫৪০ হাল ১৬৪৬ দাগে ৪২ শতাংশ ও একই মৌজার সাবেক ১৫৪২ হাল ১৬৫১ দাগে ৪০ মোট ৮২ শতাংশ জমির ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হয়ে মৃত বজলুর রহমান দেওয়ানজীর ছেলে আবু ছালেহ ইউসুফ, মেয়ে সাজেদা আক্তার, আয়েশা সিদ্দিকা ও খাদিজাতুল কোবরা এবং মৃত গোলাম ইউসুফ দেওয়ানজীর ছেলে ফজলুর রহমান ওরফে ফজলুর হক মালিক হয়ে একই গ্রামের মৃত ডাঃ আঃ রব এর ছেলে রইস আঃ রব এর কাছে বিক্রি করেন। ওয়ারিশান সম্পত্তি অংশীদারের কাছে বিক্রি না করায় মোঃ গোলাম কিবরিয়া ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ চাঁদপুর জেলা জজ আদালতে মাহামেডাম আইনের বিধান মতে হকসুফা (প্রিয়েমশান) মামলা দায়ের করেন।

বাদী মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেন, বিক্রেতা ব্যক্তিরা আমার চাচাতো ভাই-বোন হন। কিন্তু তারা আমার কাছে বাজার দরে বিক্রি না করেও অন্যত্র বিক্রি করেছেন। জমি বিক্রি করার সময় আমি বাজার দর দিয়ে ক্রয় করার ইচ্ছা পোষন করি। কিন্তু গোপনে তারা বিক্রি করেন। পরে নালিশী ভূমিতে তলব ই ময়াছিবাত এবং তলব ই ঈশাদ কার্য্য বিগত ২৫/০২/২২ইং তারিখে সম্পন্ন করার পর ১নং বিবাদী রইস আঃ রব এর অনুকূলে মূল্যের টাকা গ্রহন করে সাফকবলা দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি কার্য্য সমাধা করিয়া না দেওয়ায় আামি ২৮/০২/২২ইং তারিখে নালিশী কবলার দুইটি সীলমোহরকৃত নকল সংগ্রহ করে বিজ্ঞ আদালতে প্রিয়েমশান মামলা দায়ের করি। এর প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করেন। পরবর্তী নিষেধাজ্ঞা না দেওয়া পর্যন্ত ওই ভূমিতে শাস্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে উভয়পক্ষকে কোন কার্য না করার নির্দেশ দেন। কিন্তু আাদালতের ওই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ১নং বিবাদী রইস আঃ রব ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ করার লক্ষ্যে চাষ করছেন। এতে করে আদালতের নির্দেশ অমান্য করছেন তিনি।

Model Hospital

এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করা হচ্ছে। এলাকার লোকজনের সাথে কথা হলে তারা বলেন, এই জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মামলা চলছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞাও আছে। মামলার ১নং বিবাদী রইস আঃ রব বলেন, আমি টাকা দিয়ে জমি কিনেছি।

এখন ধান রোপন করার জন্য চাষ করছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আদালত যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন তাতে গাছ টাকা ও মাটি কাটার ব্যাপারে নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু আমি ফসল চাষ করছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital