বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে বই বৃক্ষের ১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৪:০৫ পিএম
চাঁদপুরে বই বৃক্ষের ১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

গাজী মোঃ ইমাম হাসান : চাঁদপুরে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে বই বৃক্ষের ১ম বর্ষপূ্তি উদযাপন করা হয়েছে।

৩ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকালে পুরাণ বাজার ডিগ্রি কলেজে হল রুমে বই বৃক্ষের ১ম বর্ষ পূ্তিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর পৌর সভার মেয়র মোঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল।

এসময় তিনি বলেন বই পড়ার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের জ্ঞানের সঠিক প্রচার ও বিকাশ ঘটাতে হবে।বই মনের কলুষতা ও সংকীর্ণতা রোধ করতে সাহায্য করে। মন ও মননের বিকাশ ঘটাতে বই পড়ার বিকল্প নাই।আমরা চাঁদপুর পৌর সভার পক্ষ থেকে বই বৃক্ষকে ৫০০ বই পর্যায়ক্রমে উপহার দিবো। আপনারা চাইলে বই বৃক্ষের লাইব্রেরি হিসাবে চাঁদপুর পৌর পাঠাগারকে ব্যবহার করতে পারেন। কর্ম-ব্যাস্ততা আর আধুনিকতার অযুহাতে মানুষ দিন দিন বই পড়া থেকে দুরে সরে যাচ্ছে। বই বৃক্ষের মাধ্যমে বই পড়ার স্বভার মানুষের মাঝে গড়ে তুলতে হবে। আমি নিজেও সময় করে বই পড়ার চেস্টা করি।

তিনি আরোও বলেন বই পড়ার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আগামী প্রজন্মের মাঝে জাগ্রত করতে হবে।জয় বাংলা স্লোগান আমাদের সবার,বঙ্গবন্ধু এদেশের আপামর মানুষের নেতা।তার আদর্শকে ধারণ করেই আমাদের আমাদেরকে সোনার বাংলা বির্নিমানে এগিয়ে যেতে হবে।

Model Hospital

বই বৃক্ষের ১ম বর্ষপূতি অনুষ্ঠানে লায়ন মাহমুদ হাসান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুরাণ বাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতণ কুমার মজুমদার,আন্তর্জাতিক ক্রীড়া বিশেষজ্ঞ ও সমাজ সেবক ডাঃ অনুপম হোসেন,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক,চাঁদপুর প্রেসক্লাব ও চাঁদপুর ক্লাবের আজীবন সদস্য লায়ন আরমান চৌধুরী রবিন, লেখক ও গবেষক মোঃ ফরিদ হাসান,কবি ও সাহিত্যক মোঃ আশরাফ জুয়েল।

বই বৃক্ষের ১ম বর্ষ পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে লায়ন আরমান চৌধুরী রবিন এই সামাজিক সংগঠনটিকে ৫০ বই উপহার দেন।বর্ষ পূতি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি ও সংগঠনের সদস্যদের মাঝে উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।

এছাড়া তিনি আগামী দিনে এই সংগঠনের পাশে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

জারিফ ইয়াসমিনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বই বৃক্ষের শাখা প্রধান তাসনিমা সুলতানা।
অনুষ্ঠানে কুরআন তেলওয়াত করেন কাজী আল মারুফ।

অনুষ্ঠানে শুরুতে স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে আমন্ত্রিত অতিথিদের বই বৃক্ষ সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল ও বই দিয়ে বরণ করা হয়।দিনটি উদযাপন উপলক্ষে কেকে কেটে বই বৃক্ষের ১ম বর্ষপূ্তি পালন করা হয়।

বিভিন্ন বই প্রেমী ও শিক্ষার্থীরা দেশাত্মবোধক গান,কবিতা ও বিভিন্ন বিষয়ের উপর কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে চাঁদপুরের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।