মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

জামায়াতুল মোদার্রেছীন চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২২, ৩:১৪ পিএম
জামায়াতুল মোদার্রেছীন চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
সজীব খান : বাংলাদেশ জামায়াতুল মোদার্রেছীন চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে মাদরাসা শিক্ষার স্বকীয়তা বজায় রাখার জন্য স্বতন্ত্র শিক্ষা কার্যক্রম ও পাঠ্যপুস্ত প্রনয়ের দাবিসহ ১৩ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার সকাল ১০টায় চাঁদপুর কুমিল্ল আঞ্চলিক মহাসড়কের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ জামায়াতুল মোদার্রেছীন চাঁদপুর জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মোঃ মাইনুদ্দিনরর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতুল মোদার্রেছীন চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি ড. এ কে এম মাহবু্বুর রহমান, সহ সভাপতি আ ন ম মহিবুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা জসিম উদ্দিন, মতলব দক্ষিন উপজেলা শাখার সভাপতি আ. ন. ম. জাকারিয়া চৌধুরী, হাজিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মোঃ আনিছুর রহমান, শাহরাস্তি উপজেলার সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, কচুয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ আলী আক্কাস, সদর উপজেলা শাখার সভাপতি এ বি এম মোস্তফা হামিদ, হাইমচর উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান হামিদ, ফরিদগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, মুফতি মঈন উদ্দিন ভূঁইয়া, মাওলানা মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা দ্রুত পাঠ্য বই সংশোধন করে ইসলামের আলোকে পাঠ্যপুস্তক করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপু মনি এমপি প্রতি জোরালো অনুরোধ করেন এবং সকল স্থরের শিক্ষাকার্যক্রমে ইসলামী কারিকোলাম রাখার জোরালো দাবি করেন।
মানববন্ধন শেষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমতিয়াজ হোসেনের কাছে তাদের ১৩দফা দাবি স্মারক লিপি প্রদান করেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।