ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগ, আক্রান্তদের বেশি শিশু

মনিরুল ইসলাম মনির : মতলব উত্তর উপজেলায় শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগ। এসব রোগে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীদের ভিড়। অতিরিক্ত রোগী সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ রোগী হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৫০ ভাগই শিশু। অথচ এক মাস আগেও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন চিকিৎসা নিয়েছে ১৫০ রোগী। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছে ৩০ জন।

উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামের রওশন আরা বলেন, ৮ দিন ধরে আমার ছেলের জ্বর। ওষুধ খাওয়ানোর পরেও না কমায় তিন দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. হাসিবুর রহমান বলেন, ঠান্ডাজনিত রোগে প্রতিদিন গড়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। এদের মধ্যে শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি। যাদের অবস্থা জটিল, তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে।

শিশুদের সুরক্ষায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। শিশুর নিয়মিত কাপড় পরিবর্তন ও গরম কাপড় পরিধান করাতে হবে। সব সময় পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।

এ সময় তরল খাবারের পাশাপাশি সবজি ও আঁশজাতীয় খাবার এবং ভিটামিন সি-জাতীয় খাবার খাওয়ানো উচিত। শিশুদের যেকোনো সমস্যায় দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর শহরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালো অ্যাড. হুমায়ুন কবির সুমন

বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগ, আক্রান্তদের বেশি শিশু

আপডেট সময় : ০৪:০১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২

মনিরুল ইসলাম মনির : মতলব উত্তর উপজেলায় শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগ। এসব রোগে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীদের ভিড়। অতিরিক্ত রোগী সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ রোগী হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৫০ ভাগই শিশু। অথচ এক মাস আগেও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন চিকিৎসা নিয়েছে ১৫০ রোগী। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছে ৩০ জন।

উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামের রওশন আরা বলেন, ৮ দিন ধরে আমার ছেলের জ্বর। ওষুধ খাওয়ানোর পরেও না কমায় তিন দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. হাসিবুর রহমান বলেন, ঠান্ডাজনিত রোগে প্রতিদিন গড়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। এদের মধ্যে শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি। যাদের অবস্থা জটিল, তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে।

শিশুদের সুরক্ষায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। শিশুর নিয়মিত কাপড় পরিবর্তন ও গরম কাপড় পরিধান করাতে হবে। সব সময় পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।

এ সময় তরল খাবারের পাশাপাশি সবজি ও আঁশজাতীয় খাবার এবং ভিটামিন সি-জাতীয় খাবার খাওয়ানো উচিত। শিশুদের যেকোনো সমস্যায় দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।