ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কচুয়ায় আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুস সালাম সওদাগর

মো: রাছেল, কচুয়া : আগামী ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কচুয়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন।

Model Hospital

এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী কড়ইয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সালাম সওদাগর। আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে তাঁর নাম অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। জোট সরকারের আমলে বহু নির্যাতিত এ নেতা তাঁর মনোনয়ন লাভে একটি স্রোতধারা সৃষ্টি লক্ষ্যে গত কয়েক মাস ধরে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দ্বারে দ্বারে ছুটে গেছেন। বিভিন্ন সময়ে দলীয় নেতাকর্মীদের দুঃখ ও দুর্দশায় তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ইতিমধ্যেই তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন।

একইভাবে দলীয় উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সু-দৃষ্টি কাড়ার ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দলীয় মনোনয়ন লাভে দৃঢ় মনোবল পোষণ করছেন।

আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সালাম সওদাগরের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তাঁর দলীয় কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানান, ২০০০ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য, ২০০৮সাল থেকে ২০১১সাল পর্যন্ত ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, ২০১৫ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও এর পর থেকে অদ্যাবদি পর্যন্ত কড়ইয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত। শিক্ষাসহ সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন দীর্ঘদিন থেকে। তাঁর সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য তিনি বেশ সুনাম কুড়িয়ে চলছেন।

রাজনৈতিক নির্যাতন প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০০১ সালে বিএনপি-জামাত সরকার ক্ষমতায় আসার পর রহিমানগর বাজারে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বার বার হামলা ও ভাংচুর হয় ও তাঁর উপর চালানো হয় শারীরিক নির্যাতন। পাশাপাশি সময়ে তাঁর বড় ভাই রেনু মিয়া সওদাগরের কচুয়া বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালানো হয় হামলা ও ভাংচুর। এছাড়া অপর বড় ভাই আব্দুল কাদের বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত জখমের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিসিৎসা গ্রহণ করেন।

তিনি আরো জানান, ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। মনোনয়ন না পেয়েও দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে তিনি ও তাঁর কর্মী সমর্থকদের সাথে সমন্বয় করে নৌকার পক্ষে কাজ করে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিজয় সুনিশ্চিত করেন। দলের জন্য তাঁর এসব অবদানের কথা নেতৃবৃন্দ সু-বিবেচনা করবেন বলে তিনি আশাবাদী।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ৮ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল

কচুয়ায় আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুস সালাম সওদাগর

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১

মো: রাছেল, কচুয়া : আগামী ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কচুয়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন।

Model Hospital

এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী কড়ইয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সালাম সওদাগর। আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে তাঁর নাম অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। জোট সরকারের আমলে বহু নির্যাতিত এ নেতা তাঁর মনোনয়ন লাভে একটি স্রোতধারা সৃষ্টি লক্ষ্যে গত কয়েক মাস ধরে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দ্বারে দ্বারে ছুটে গেছেন। বিভিন্ন সময়ে দলীয় নেতাকর্মীদের দুঃখ ও দুর্দশায় তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ইতিমধ্যেই তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন।

একইভাবে দলীয় উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সু-দৃষ্টি কাড়ার ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দলীয় মনোনয়ন লাভে দৃঢ় মনোবল পোষণ করছেন।

আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সালাম সওদাগরের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তাঁর দলীয় কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানান, ২০০০ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য, ২০০৮সাল থেকে ২০১১সাল পর্যন্ত ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, ২০১৫ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও এর পর থেকে অদ্যাবদি পর্যন্ত কড়ইয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত। শিক্ষাসহ সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন দীর্ঘদিন থেকে। তাঁর সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য তিনি বেশ সুনাম কুড়িয়ে চলছেন।

রাজনৈতিক নির্যাতন প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০০১ সালে বিএনপি-জামাত সরকার ক্ষমতায় আসার পর রহিমানগর বাজারে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বার বার হামলা ও ভাংচুর হয় ও তাঁর উপর চালানো হয় শারীরিক নির্যাতন। পাশাপাশি সময়ে তাঁর বড় ভাই রেনু মিয়া সওদাগরের কচুয়া বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালানো হয় হামলা ও ভাংচুর। এছাড়া অপর বড় ভাই আব্দুল কাদের বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত জখমের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিসিৎসা গ্রহণ করেন।

তিনি আরো জানান, ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। মনোনয়ন না পেয়েও দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে তিনি ও তাঁর কর্মী সমর্থকদের সাথে সমন্বয় করে নৌকার পক্ষে কাজ করে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিজয় সুনিশ্চিত করেন। দলের জন্য তাঁর এসব অবদানের কথা নেতৃবৃন্দ সু-বিবেচনা করবেন বলে তিনি আশাবাদী।