বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে রোপা আমনের বাম্পার ফলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২, ১:৫৮ পিএম
মতলব উত্তরে রোপা আমনের বাম্পার ফলন

মনিরুল ইসলাম মনির : এ মৌসুমে মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প’সহ পুরো উপজেলায় মোট ৮ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের চাষ হয়েছে। এরমধ্যে বিআর-২২, ২৩, ২৪, ২৬, ব্রি-৩২, ৩৩, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪৫, ৪৬, ৪৯, ৫১, ৫২, ৬২, ৭৫, বিনা ও স্থানীয় জাতের ব্রি-৩৪, মুড়িশাইল ও কালীজিরা অন্যতম।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানান, মতলব উত্তর উপজেলায় মোট ৮ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের চাষ হয়েছে। এ বছর ৩৯ হাজার ৩৪৭ মেট্টিকটন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। যা থেকে ২৫ হাজার ৯শ’ ৭০ মেট্টিকটন চাল উৎপাদন হবে।

গত কয়েকদিন প্রকল্পের আমিয়াপুর, মরাদোন, কালীপুর, টরকী, গাজীপুর এলাকার অন্তত ১০টি বিল ঘুরে দেখা গেছে, যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই কাঁচা পাকা ধান ধান। বেশির ভাগ জমিতেই ধান পাকতে শুরু করেছে। আগাম জাতের ধান পেকে যাওয়ায় কৃষকরা ধান কাটায় ব্যস্ত। উঠানে উঠানে কৃষাণীরা ধান মাড়াই ও খড় শুকানো কাজে ব্যস্ত সময় পাড় করছে। উঠানে ছড়িয়ে আছে মুঠোয় মুঠোয় সোনালি সোনা। ধান সিদ্ধ ও শুকিয়ে গোলা ভরায় ব্যস্ত কৃষক পরিবারগুলো। তাদের চোখে মুখে খেলে যাচ্ছে সোনালি ধানের সোনালি আভা। প্রতিটি গ্রাম এখন হেমন্তের ছোঁয়া। পাকা ধান হেমন্ত আরো রাঙিয়ে দিয়েছে।

এদিকে সেচ প্রকল্পে যেমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে অন্যদিকে বাজারে ধানের দামও বেশ চড়া। মোটা ধান প্রকার ভেদে ১ হাজার ২শ’ টাকা। চিকন ধান ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায় কেনা বেচা হচ্ছে।

Model Hospital

কথা হয় পাঠানচক গ্রামের ধান ব্যবসায়ী জলিল মীরের সাথে। তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় এবার ধানের দাম বেশ ভালো যাচ্ছে। ধানের দাম পেয়ে কৃষকরা বেশ খুশি। মোকামেও আমরা ধানের দাম বেশ ভালো পাচ্ছি।

ইসলামাবাদ গ্রামের খলিল প্রধান, নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আরিফ সরকার, সাহাবাজকান্দি গ্রামের শাহআলমসহ কয়েকটি গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা হলে তারা জানান, ধানের ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে দামও ভালো। আমরা খুশি। আবার গরুর খাবার কম থাকার কারণে ধানের খড়-বিচালী ভালো দামে কিনে নিয়ে যাচ্ছে সেচ প্রকল্পের বাইরের লোকজন।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন বলেন, এবার মতলব উত্তর উপজেলায় আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। সময়মত বৃষ্টি না হওয়ায় একটু সমস্যা হলেও কৃষক তা সেচের পানির ব্যবস্থা করেছে। আবার উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আমরা সবসময় মাঠ পর্যায়ে তদারকি ও পরামর্শের কারণে এবার রোপা আমন মৌসুমে রোগবালাই ছিল কম।

তিনি আরো জানান, ধান কাটা শুরু হয়েছে। বাজারে ধানের দামও বেশ ভালো। ফলে এই রোপা আমন মৌসুমে উৎপাদনের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল তার পূরণ হবে। তিনি এই জন্য ভালো বীজ ও ভালোমানের ধানের চারা রোপণ করাকে বাম্পার ফলনে সহায়ক বলে মনে করছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।