শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রবাসীরা সঠিক মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালে দেশ আরোও এগিয়ে যাবে; কামরুল হাসান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২, ৬:৩৫ এম
প্রবাসীরা সঠিক মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালে দেশ আরোও এগিয়ে যাবে; কামরুল হাসান

গাজী মোঃ ইমাম হাসান : ‘থাকব ভালো, রাখব ভালো দেশ, বৈধ পথে প্রবাসী আয়-গড়ব বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের উদ্যোগে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস। অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের মেধাবি সন্তানদের মধ্যে ৮৮ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়।

রবিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আলোচনা, চেক বিতরণ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান।

তিনি বক্তব্যে বলেন, বিদেশে শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে । বিদেশে শ্রমিকরা অনেক সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকে। তাদের সমস্যা সমাধানে দূতাবাসগুলো কাজ করছে। আমরা বিদেশে অবস্থানরত শ্রমিকদের সমস্যা গুরুত্বের সাথে দেখি ।প্রবাসীদের জন্য সরকার অনেক সুযোগ সুবিধা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রবাসে গিয়ে একজন প্রবাসী শুধু পরিবার নয়, দেশের উন্নয়নেও ভূমিকা রাখছে।বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ফলে দেশের বেকারত্ব দূরীকরণ ও দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে অনেক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

Model Hospital

তিনি বলেন, আমাদের প্রবাসীরা যদি সঠিক মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠায় তাহলে দেশ আরোও এগিয়ে যাবে। দেশের সকল অগ্রগতি ও উন্নতিতে প্রবাসীদের অবদান সবচেয়ে বেশি। এই রেমিট্যান্স তাদের কঠোর শ্রমের ফসল। সরকার সঠিক পথে রেমিট্যান্স দেশে আনতে প্রবাসীদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করে আসছে। এছাড়াও প্রবাসীদের পরিবার ও সন্তানদের বিভিন্ন উপায়ে সুযোগ সুবিধা ও প্রদান করছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমতিয়াজ হোসনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ, ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজী (আইটিএম) চাঁদপুরের অধ্যক্ষ ড. প্রকৌশলী মো. সাকাওয়াৎ আলী।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন কর্মসংস্থান ও জনশক্তি চাঁদপুর জেলা অফিসের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ সফিকুর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী কর্মীদের মেধাবী সন্তানদের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে ৮৮ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে ১৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ও ১৯জনকে প্রতিবন্ধীকে দুই লাখ ২৮হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।

এছাড়াও সর্বোচ্চ রেমিটেন্স প্রেরণকারী মো. শাহজালাল মোল্লা, রেহানা সালমা তানিয়া ও সর্বোচ্চ রেমিটেন্স আহরণকারী ইসলামী ব্যাংক চাঁদপুর শাখাকে ১ম, ও চাঁদপুর কো-অপারেটিব জনতা ব্যাংক লিঃ এর সিনিয়র অফিসার মোঃ শাজাহান হারুন ২য় রেমিট্যান্স আহরনকারী কর্মকর্তা হিসাবে সম্মাননা স্মারক, সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে জনতা ব্যাংক লিমিটেড চাঁদপুর নতুন বাজার কর্পোরেট শাখা ব্যবস্থাপক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন শিকদারসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital