বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরে সর্ব কনিষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সবুজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২, ৪:৩৪ পিএম
হাইমচরে সর্ব কনিষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সবুজ
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি : হাইমচরে এই প্রথম সবচেয়ে কম বয়সে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন হাইমচর উপজেলার ১নং গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সবুজ।
তিনি অল্প বয়সেই জনসমর্থন অর্জন করে নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থীকে পরাজিত করে গত ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১০৭ ভোটে জয়লাভ করেন। তার জন্ম ১৯৯৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ১নং গাজীপুর ইউনিয়নে। তার পিতা মোঃ বাচ্চু পেদা, মাতা জাহানারা বেগম। তিনি পারিবারিকভাবে আওয়ামী পরিবারের সন্তান। তার জেঠা মোঃ শাহজাহান মিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি।
জানা গেছে, ছোট বেলা থেকেই শাহাদাত হোসেন সবুজ জনকল্যাণে কাজ করার স্বপ্ন দেখতেন। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে তার প্রচারনা অন্যরকম ছিল, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে প্রতিটা এলাকায় যুব সমাজের মধ্যে খেলাধুলার আয়োজন, সামাজিক ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, স্থানীয় মুরব্বিদের সাথে আলোচনা করে কিভাবে সমাজ থেকে মাদক দূর করা যায় সে বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রেখে কাজ করে যাওয়া তার নিত্য দিনের অভ্যাস ছিল। করোনাকালীন সময় থেকে তার এলাকায় অসাধারণ পরিকল্পনায় মানুষকে সচেতন করেন।
অসহায়, হতদরিদ্র মানুষের সহযোগিতা করা, চিকিৎসা সেবায় সহযোগিতা করা তার যেন দৈনিক কর্ম রুটিন হয়ে যায়। আর তারই ধারাবাহিকতায় গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে ব্যর্থ হলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন তিনি। জনগণের ভালোবাসায় নৌকা প্রতিকের প্রার্থী হাবিবুর রহমান গাজীকে ১০৭ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে চাঁদপুরের দক্ষিণে সর্ব কনিষ্ঠ চেয়ারম্যান মনোনীত হন তিনি।
নেতৃত্বের দিক থেকেও শাহাদাত হোসেন সবুজের ছিল অসাধারণ দক্ষতা। যা স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়ার অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় রাজনীতিতে পদার্পণ করে গাজীপুর ইউনিয়নবাসীকে ভালোবাসায় আবদ্ধ করেছেন শাহাদাত হোসেন সবুজ। আর সে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে গাজীপুরবাসী তাদের প্রিয় নেতৃত্বকে ৫ বছরের জন্য অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে নিয়েছে।
নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সবুজ বলেন, আমার জেঠা শাহজাহান মিয়ার অনুপ্রেরণায় আমি রাজনীতিতে এসে জনগণকে ভালোবাসায় আবদ্ধ করার চেষ্টা করেছি। আজ গাজীপুরবাসী আমার ভালোবাসার মূল্য দিয়েছে। আগামী ৫ টি বছর তাদের সেবক হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সেবা প্রতিটি ভোটারের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিবো- ইনশাআল্লাহ।
আমি কম বয়সী একজন চেয়ারম্যান। খুব কম বয়সেই গাজীপুর ইউনিয়নবাসী আমাকে অনেক বড় দায়িত্ব দিয়েছে। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। গাজীপুর ইউনিয়নটি নদী ভাঙ্গন কবলিত একটি ইউনিয়ন।
এ ইউনিয়নের সকল নাগরিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে সর্বদা সচেষ্ট থাকবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital