শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মৈশাদীতে মাদকের টাকার জন্য স্ত্রীকে মারধর; ভাড়া বাসায় ভাংচুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৩, ২:৫৭ পিএম
মৈশাদীতে মাদকের টাকার জন্য স্ত্রীকে মারধর; ভাড়া বাসায় ভাংচুর

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ডে বিয়ের ১২ বছর পর যৌতুকের জন্য নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছেন গৃহবধূ পান্না বেগম। বিয়ের পর থেকেই মাদকাসক্ত স্বামী, আর শ্বাশুড়ির নির্যাতনের স্বীকার হয়ে স্বামীর বাড়ি ছেড়ে ভাড়া বাসায় গিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি তার। গৃহবধূর উপর নির্যাতন আর মারধর এখন নিত্য দিনের।

জানা যায়, মৈশাদী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের আবুল শেখের ছেলে ৩৫ বছর বয়সী মোঃ সেলিম শেখ এর সাথে নুরুল্লাহপুর গ্রামের নুরু মোহাম্মদ গাজীর মেয়ে পান্না বেগমের সাথে ইসলামি সরিয়াহ মতে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সেলিম শেখ ও তার মা শাহানারা বেগম পান্নার উপর কথায় কথায় শারীরিক নির্যাতন করে আসছেন। যৌতুকের জন্য বার বার চাপ দেয় সেলিম শেখের পরিবার। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে পান্নার পরিবার কয়েকবার টাকাও দেন। টাকা দেওয়ার পর কয়েক দিন ভাল থাকলেও ফের আবার শুরু করেন নির্যাতন।

পান্নার পরিবার অভিযোগ করে বলেন, সেলিম শেখ পান্নাকে বিয়ের পূর্বে স্বামীর বাড়ির পাশে আরেকটি বিয়ে করেন। ওই স্ত্রীও সেলিম শেখের অত্যাচারে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন বলেন তারা অভিযোগ করেন। সেই হত্যা মামলা এখনো চলমান রয়েছে বলে তারা জানান। তারা অভিযোগ করে বলেন, সেলিম শেখ পূর্বের বিয়ে সম্পূর্ণ গোপন রেখে পান্নাকে দেখতে গিয়ে তড়ি গড়ি বিয়ে করেন। সেলিম শেখ একজন মাদক সেবনকারী, মাদকাসক্ত হয়ে বিভিন্ন সময়ে কারনে অকারনে পান্নাকে মারধর করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে ২ সন্তান রয়েছে।

এ বিষয়ে মৈশাদীর বর্তমান চেয়ারম্যান, এবং সাবেক চেয়ারম্যান কয়েবার দেনদরবারও করেন। কিন্তু কোন লাভ হয়নি, উল্টো পান্নার উপর নির্যাতনের পরিমাণ বেড়ে যায়। পান্না তার সন্তানদের কথা চিন্তা করে বাবুরহাট বিসিক শিল্প নগরীর গার্মেন্টসে চাকুরি নেই। আর সেখানেই ১৪নং ওয়ার্ডের রসুল মিজি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। সে ভাড়া বাসায় গিয়েও শান্তি মিলেনি এ হতভাগীর।

Model Hospital

মঙ্গলবার পান্না গার্মেন্টস গেলে সেলিম শেখ পান্নার ভাড়া বাসায় ঢুকে মাদক সেবনের জন্য টাকা না পেয়ে বাসায় থাকা ফ্রিজ, রেক, ওয়ার্ড্রোপ, লেপ, তোষক, হান্ডি পাতিল ভাংচুর করেন। ওই সময় বাড়ির মালিক আসলে সাথে সাথেই সে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

নির্যাতিতা পান্নার মামা, আশিকাটির ওয়ার্ড মেম্বার সামছুল হক প্রধানীয়া জানান, বিয়ের পর থেকেই সেলিম, সেলিমের মা পান্নাকে বিভিন্ন ভাবে শারিরিক নির্যাতন করে আসছেন। মোটা অংকের যৌতুক দাবি করছেন। বিয়ের পর একদিনও পান্না সুখে কাটায়নি। সেলিম একজন চিহ্নিত মাদক সেবনকারী, প্রশাসনের কাছে তার উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে মৈশাদী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনা সত্য, কয়েকবার আমারা এটা নিয়ে বসেছি, কিন্তু সেলিম আসলেই একটা অপরাধী, সে কোন ভাবেই সচেতন হয়নি, সে আগের স্ত্রী হত্যা মামলার আসামী।

এ বিষয়ে সেলিম শেখের বক্তব্য নেওয়ার জন্য গেলে তাকে পাওয়া যায়নি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital