বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়লো বাবা-ছেলের স্বপ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১২:৩৮ পিএম
হাজীগঞ্জে শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়লো বাবা-ছেলের স্বপ্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি : বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে বাবা-ছেলের ২টি বসতঘর, ১টি রান্নাঘর সহ কষ্টে সাজানো স্বপ্নের সংসার। এতে অন্তত সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের।

বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে হাজীগঞ্জ উপজেলার ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের পিপিয়া গ্রামের মিজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাশেদুল ইসলাম তানজির, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল হাদী মিয়া, হাজীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সিফাত, ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. ইমাম হোসেন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।

ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- ওই গ্রামের হাসনাত মিজি, তার ছেলে সাজ্জাদুল ইসলাম মিজি।

সাজ্জাদুল ইসলাম জানান, দুপুরে বাবা ছেলে আমরা ভুট্টা খেতে কাজ করছিলাম। মাঠ থেকে হঠাৎ দেখি আমার ও বাবার বসতঘরে আগুন লেগে যায়।

Model Hospital

ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়ার আগেই পুড়ে ছাই হয় দু’টি ঘর। সেখানে থাকা রান্নাঘর, বারান্দা সহ ঘরের সকল আসবাবপত্র আগুনে পুড়ে অন্তত সাড়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাজীগঞ্জ ইউএনও রাশেদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

নতুন ঘর করতে প্রয়োজনীয় ডেউটিন ও অর্থ সহায়তা দিতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জাকির হোসেনকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।