আগুনে সব পুড়লেও অক্ষত কোরআন শরীফ : কচুয়ায় অগ্নিকান্ডে চার ঘর পুড়ে ছাই
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গোহট দক্ষিন ইউনিয়নের কান্দিপাড় গ্রামের ফরাজী বাড়ীতে রবিবার মধ্যরাতে ভয়াভহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডে এ বাড়ীর কাতার প্রবাসী আ: রহিমের সম্প্রতি নির্মিত বড় আকৃতির একটি টিনের বসতঘর , একটি রান্নাঘর, একটি গোয়ালঘর ও রহিমের জেঠা আমির হোসেনের একটি গোয়ালঘর পুড়ে ভস্মীভূত হয়। তবে ঘরে থাকা পবিত্র কোরআন শরীফ দুটি অক্ষত রয়েছে।

এছাড়া অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত হয়েছে রহিমের পিতা ইউসুফ মিয়া (৬৫), পুত্র রবিউল (১০) ও মেয়ে রাইসা (৪)। এছাড়া ও রহিমের গোয়ালঘরে থাকা প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের একটি ষাঁড় পুড়ে মারা যায়।

অগ্নিকান্ডের সূত্রপাতের সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বৈদ্যুাতিক সর্ট-সার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে প্রায় পৌনে একঘন্টা পর কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা ঘটনারস্থলে গিয়ে পৌছলে ও ততক্ষেনে ওই ঘরগুলো পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়।



রহিমের স্ত্রী সীমা আক্তার জানান, নগদ ৬০ হাজার টাকা সহ স্বর্ণালংকার, মূল্যবান আসবাবপত্র কাপড় চোপড় ও বিভিন্ন মালামাল সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়। এ অগ্নিকান্ডে ঘর ছাড়াও ওই বাড়ীর বেশ কিছু নারকেল ও আমগাছ সহ বিভিন্ন ফল ফলাধির গাছ আগুনে পুড়ে বিনষ্ট হয়। ক্ষয়ক্ষতি পরিমান প্রায় ১২ লক্ষ টাকার হবে বলে ক্ষতিগ্রস্থরা দাবি করছেন।
সরজমিনে গিয়ে অগ্নিকান্ডের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করেছেন, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল হাসান ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আমির হোসেন। নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্থদেরকে সম্ভব অনুযায়ী সরকারি সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
এদিকে সীমা আক্তারের ঘরে তার সন্তানের বই খাতার পাশাপাশি পবিত্র কোরআন শরীফ রাখা ছিল। বইখাতা গুলি এবং কোরআন শরীফ রাখার জন্য কাঠের তৈরি রেহেল পুড়ে গেলেও কোরআন শরীফ অক্ষত আছে। কোরআন শরীফের কোন অক্ষরও পুড়েনি।
https://www.facebook.com/priyochandpurbd/videos/164356009847892
হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের খতিব হাফেজ মুফতি মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, এটি কোরআন শরীফের মোজেজা। আল্লাহপাক পবিত্র কোরআন শরীফ নাজিল করেছেন। তিনিই তার রক্ষাকারী। মানুষের ঈমান আমল নষ্ট হতে চলেছে। এখনই আল্লাহর দেয়া বিধান মেনে চলে ঈমান আমলকে মজবুত করা প্রয়োজন।
এদিকে রহিমের পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন জাপন করছেন।








