শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আগুনে সব পুড়লেও অক্ষত কোরআন শরীফ : কচুয়ায় অগ্নিকান্ডে চার ঘর পুড়ে ছাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৩, ৩:২৪ পিএম
আগুনে সব পুড়লেও অক্ষত কোরআন শরীফ : কচুয়ায় অগ্নিকান্ডে চার ঘর পুড়ে ছাই

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গোহট দক্ষিন ইউনিয়নের কান্দিপাড় গ্রামের ফরাজী বাড়ীতে রবিবার মধ্যরাতে ভয়াভহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডে এ বাড়ীর কাতার প্রবাসী আ: রহিমের সম্প্রতি নির্মিত বড় আকৃতির একটি টিনের বসতঘর , একটি রান্নাঘর, একটি গোয়ালঘর ও রহিমের জেঠা আমির হোসেনের একটি গোয়ালঘর পুড়ে ভস্মীভূত হয়। তবে ঘরে থাকা পবিত্র কোরআন শরীফ দুটি অক্ষত রয়েছে।

এছাড়া অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত হয়েছে রহিমের পিতা ইউসুফ মিয়া (৬৫), পুত্র রবিউল (১০) ও মেয়ে রাইসা (৪)। এছাড়া ও রহিমের গোয়ালঘরে থাকা প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের একটি ষাঁড় পুড়ে মারা যায়।

অগ্নিকান্ডের সূত্রপাতের সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বৈদ্যুাতিক সর্ট-সার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে প্রায় পৌনে একঘন্টা পর কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা ঘটনারস্থলে গিয়ে পৌছলে ও ততক্ষেনে ওই ঘরগুলো পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়।

Model Hospital

রহিমের স্ত্রী সীমা আক্তার জানান, নগদ ৬০ হাজার টাকা সহ স্বর্ণালংকার, মূল্যবান আসবাবপত্র কাপড় চোপড় ও বিভিন্ন মালামাল সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়। এ অগ্নিকান্ডে ঘর ছাড়াও ওই বাড়ীর বেশ কিছু নারকেল ও আমগাছ সহ বিভিন্ন ফল ফলাধির গাছ আগুনে পুড়ে বিনষ্ট হয়। ক্ষয়ক্ষতি পরিমান প্রায় ১২ লক্ষ টাকার হবে বলে ক্ষতিগ্রস্থরা দাবি করছেন।

সরজমিনে গিয়ে অগ্নিকান্ডের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করেছেন, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল হাসান ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আমির হোসেন। নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্থদেরকে সম্ভব অনুযায়ী সরকারি সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

এদিকে সীমা আক্তারের ঘরে তার সন্তানের বই খাতার পাশাপাশি পবিত্র কোরআন শরীফ রাখা ছিল। বইখাতা গুলি এবং কোরআন শরীফ রাখার জন্য কাঠের তৈরি রেহেল পুড়ে গেলেও কোরআন শরীফ অক্ষত আছে। কোরআন শরীফের কোন অক্ষরও পুড়েনি।

https://www.facebook.com/priyochandpurbd/videos/164356009847892

হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের খতিব হাফেজ মুফতি মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, এটি কোরআন শরীফের মোজেজা। আল্লাহপাক পবিত্র কোরআন শরীফ নাজিল করেছেন। তিনিই তার রক্ষাকারী। মানুষের ঈমান আমল নষ্ট হতে চলেছে। এখনই আল্লাহর দেয়া বিধান মেনে চলে ঈমান আমলকে মজবুত করা প্রয়োজন।

এদিকে রহিমের পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন জাপন করছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপি
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় তাঁরা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ সহায়তা ও তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় উপজেলা এবং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সমবেদনা জানিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মতলব পৌরসভার সাবেক মেয়র এনামুল হক বাদল। খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. শহীদ মিয়াজীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি সোয়েব আহমেদ সরকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাগর, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এএসএম বদরুদ্দোজা দুলাল পাটোয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুলতান কাজী প্রমুখ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল হক জহির, যুগ্ম আহ্বায়ক মিরান হোসেন মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম জিলানী তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর মিয়াজী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাবের ছিদ্দিকি, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মিরাজ মাহমুদ জিসানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গেল মাসের ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।