ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরের মার্কেটগুলোতে বেড়েছে ঈদের কেনাকাটা

চাঁদপুরে এবার রোজার শুরুতেই ঈদের কেনাকাটা শুরু হয়েছে। দশ রোজার পর এখন মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন বাজারে, শপিংমলে। জেলা শহড় চাঁদপুরের ফুটপাত থেকে অভিজাত শপিংমলে জমে উঠতে শুরু করেছে ঈদের কেনাকাটা। তবে পোশাকের দামে এবার হোঁচট খাচ্ছেন ক্রেতারা। এরই মধ্যে ঈদের বাহারি পোশাকে ভরেছে দোকানপাট ও শপিংমলগুলো।

Model Hospital

ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনার কারণে গত তিন বছর ব্যবসা তেমন হয়নি। তাই এ বছর সব ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চান তারা। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পোশাকের দাম অনেক বেশি বলে জানান ক্রেতারা। ক্রেতারা বলছেন, নিত্যবাজারে যেমন দাম বেড়েছে সব পণ্যের, পোশাকের দামও বেড়েছে তেমন ভাবেই।

শনিবার চাঁদপুরের সর্ববৃহৎ বেচাকেনার স্থান হকার্স মার্কেট, হাকিম প্লাজা, মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট, পুরোবী মার্কেট, ফয়সাল শপিং কমপ্লেক্স সহ ছোট বড়সহ বেশ কয়েকটি মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতাদের উডছেপড়া ভিড়। সবচেয়ে এখন বেশি ভিড় হকার্স মার্কেটে।

এই মার্কেটে মেয়েদের শাড়ি, থ্রি-পিস, বোরকা, জুতা-স্যান্ডেল, এমিটেশান অলঙ্কার, কসমেটিকস থেকে শুরু করে সবকিছুই পাওয়া যায়, ফলে নারী ক্রেতার সমাগম বেশি। ছেলেদের নিত্য নতুন ডিজাইনের পাঞ্জাবি, জিন্স, টি-শার্ট এবং থান কাপড়ের দোকান থাকায় এই মার্কেটে ছেলেদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। এছাড়া, সিট কাপড়ের দোকানেও বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান খান মিলন জানান, এবার রোজার শুরু থেকেই বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেড়েছে। নারী ও শিশুদের নিত্যনতুন ফ্রক, স্কার্ট, লেহেঙ্গা, টু-পিস, থ্রি-পিস ও বোরকার দোকান হিসেবে পরিচিত হকার্স মার্কেট।

হাকিম প্লাজার ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ উপলক্ষে এখন প্রতিদিনই সব ধরনের পোশাক বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন ক্রেতা বাড়ছে। কেনাকাটাও বাড়ছেপুরোবী শপিং সেন্টারের ব্যবসায়ী জানান, পাঁচ রোজার পর থেকে বেচাকেনা অনেক বেড়েছে। এবার বিক্রিও হচ্ছে ভালো। ক্রেতার ভিড় বাড়ছে প্রতিদিন। মার্কেটে আসা ক্রেতারা জানান, গত বছর করোনার প্রভাব ছিল। বাজারে ভিড় ছিল না। কিন্তু এ বছর বাজারে ভিড়ও বেশি, কাপড়-চোপড়ের দামও অনেক। গত বছর যে প্যান্ট কেনা হয়েছিল ৮০০ টাকায়, এবার ওই ধরনের প্যান্ট কিনলাম ১২০০ টাকায়। স্ত্রীর জন্য যে পোশাক গত বছরে কেনা হয়েছিল এক হাজার টাকায়, ওই একই ধরনের পোশাকের দাম বেড়ে হয়েছে ১৫০০-১৭০০ টাকা। তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় থ্রি-পিসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

তবে এ সব মার্কেটে ক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে।

এ ছাড়াও মার্কেট কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। ঈদ উপলক্ষে শহড়ে যানজট নিরশনের জন্য ট্রাফিক পুলিশের পাশা-পাশি স্কাউটের সদস্যরা ও সড়কে যান বাহন নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে।

ট্যাগস :

মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ

চাঁদপুরের মার্কেটগুলোতে বেড়েছে ঈদের কেনাকাটা

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০২৩

চাঁদপুরে এবার রোজার শুরুতেই ঈদের কেনাকাটা শুরু হয়েছে। দশ রোজার পর এখন মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন বাজারে, শপিংমলে। জেলা শহড় চাঁদপুরের ফুটপাত থেকে অভিজাত শপিংমলে জমে উঠতে শুরু করেছে ঈদের কেনাকাটা। তবে পোশাকের দামে এবার হোঁচট খাচ্ছেন ক্রেতারা। এরই মধ্যে ঈদের বাহারি পোশাকে ভরেছে দোকানপাট ও শপিংমলগুলো।

Model Hospital

ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনার কারণে গত তিন বছর ব্যবসা তেমন হয়নি। তাই এ বছর সব ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চান তারা। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পোশাকের দাম অনেক বেশি বলে জানান ক্রেতারা। ক্রেতারা বলছেন, নিত্যবাজারে যেমন দাম বেড়েছে সব পণ্যের, পোশাকের দামও বেড়েছে তেমন ভাবেই।

শনিবার চাঁদপুরের সর্ববৃহৎ বেচাকেনার স্থান হকার্স মার্কেট, হাকিম প্লাজা, মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট, পুরোবী মার্কেট, ফয়সাল শপিং কমপ্লেক্স সহ ছোট বড়সহ বেশ কয়েকটি মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতাদের উডছেপড়া ভিড়। সবচেয়ে এখন বেশি ভিড় হকার্স মার্কেটে।

এই মার্কেটে মেয়েদের শাড়ি, থ্রি-পিস, বোরকা, জুতা-স্যান্ডেল, এমিটেশান অলঙ্কার, কসমেটিকস থেকে শুরু করে সবকিছুই পাওয়া যায়, ফলে নারী ক্রেতার সমাগম বেশি। ছেলেদের নিত্য নতুন ডিজাইনের পাঞ্জাবি, জিন্স, টি-শার্ট এবং থান কাপড়ের দোকান থাকায় এই মার্কেটে ছেলেদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। এছাড়া, সিট কাপড়ের দোকানেও বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান খান মিলন জানান, এবার রোজার শুরু থেকেই বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেড়েছে। নারী ও শিশুদের নিত্যনতুন ফ্রক, স্কার্ট, লেহেঙ্গা, টু-পিস, থ্রি-পিস ও বোরকার দোকান হিসেবে পরিচিত হকার্স মার্কেট।

হাকিম প্লাজার ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ উপলক্ষে এখন প্রতিদিনই সব ধরনের পোশাক বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন ক্রেতা বাড়ছে। কেনাকাটাও বাড়ছেপুরোবী শপিং সেন্টারের ব্যবসায়ী জানান, পাঁচ রোজার পর থেকে বেচাকেনা অনেক বেড়েছে। এবার বিক্রিও হচ্ছে ভালো। ক্রেতার ভিড় বাড়ছে প্রতিদিন। মার্কেটে আসা ক্রেতারা জানান, গত বছর করোনার প্রভাব ছিল। বাজারে ভিড় ছিল না। কিন্তু এ বছর বাজারে ভিড়ও বেশি, কাপড়-চোপড়ের দামও অনেক। গত বছর যে প্যান্ট কেনা হয়েছিল ৮০০ টাকায়, এবার ওই ধরনের প্যান্ট কিনলাম ১২০০ টাকায়। স্ত্রীর জন্য যে পোশাক গত বছরে কেনা হয়েছিল এক হাজার টাকায়, ওই একই ধরনের পোশাকের দাম বেড়ে হয়েছে ১৫০০-১৭০০ টাকা। তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় থ্রি-পিসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

তবে এ সব মার্কেটে ক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে।

এ ছাড়াও মার্কেট কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। ঈদ উপলক্ষে শহড়ে যানজট নিরশনের জন্য ট্রাফিক পুলিশের পাশা-পাশি স্কাউটের সদস্যরা ও সড়কে যান বাহন নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে।