শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে মোবাইল কোর্টে ২০৩ জেলেকে কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৩, ১:৪৭ পিএম
চাঁদপুরে মোবাইল কোর্টে ২০৩ জেলেকে কারাদণ্ড

সব ধরনের মাছের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশের ইলিশের ছয়টি অভয়াশ্রমের মধ্যে পাঁচটিতে সব ধরনের মাছ ধরার ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার।

গত ১ মার্চ থেকে এ নিষেধাজ্ঞা ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। ইতিমধ্যে নিষেধাজ্ঞার এক মাসেরও বেশি অতিবাহিত হয়েছে। চাঁদপুর জেলা টাস্কফোর্সের অভিযানে গত ১ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় ৬৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরার অপরাধে এসব মোবাইল কোর্টে ২০৩ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা আদায় করা হয় ৭৪ হাজার ৯শ টাকা।

মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় ২৩ জন জেলেকে। এসব ঘটনায় মামলা হয় ১৯৪টি। জব্দ করা হয় ৬৪ লাখ ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫৮৩.৪ কেজি জাটকা।

অভিযানে নৌ পুলিশ, জেলা মৎস্য বিভাগ, নৌবাহিনী, জেলা পুলিশ, কোস্টগার্ড সহায়তা করছে। মেঘনা ও পদ্মা নদীর বাড়বে। মতলব উত্তর উপজেলার ঘাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার নদী এলাকার জলসীমায়, নদী-তীরবর্তী মাছের আড়ত, মাছবাজার, মাছঘাট, বরফকল এলাকায় জাটকা আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ অথবা বিক্রয় প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। জেলা টাস্কফোর্সের তৎপরতার মধ্যে কিছু অসাধু জেলে নদীতে নেমে জাটকা শিকার করছে। কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই তারা জাটকা ধরছে।

Model Hospital

তবে স্থানীয় জেলেদের দাবি, বহিরাগত জেলেরা চাঁদপুরের নৌ-সীমানায় এসে জাটকা ধরছে। আর তার দায়ভার চাঁদপুরের নিবন্ধিত জেলেদের ওপর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. গোলাম হাসান জানান চাদপুরে ৪৪ হাজার ৩৫ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছে। এর বাইরে আরও অনেক জেলে রয়েছে। এ বছর অনেক আগেই জেলেদের কাছে সরকারি বরাদ্দের চাল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক নদীতে টহল দিচ্ছি। এ বছর অভিযান অনেক সফল হয়েছে। আশা করি ইলিশের উৎপাদন বাড়বে।

চাঁদপুর নৌ-পুলিশের ওসি কামরুজ্জামান জানান, গত বছরের চেয়ে এ বছর জাটকা রক্ষায় পদ্মা-মেঘনায় নৌ পুলিশ অভিযানে সফলতা এসেছে। শুধু মার্চ মাসে ৬ শতাধিক জেলেকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া ৫ হাজার কেজি জাটকা, সাড়ে ৬ কোটি মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। এতে ৯০টি মামলায় ৩৫টির মতো মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জেলেদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপি
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় তাঁরা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ সহায়তা ও তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় উপজেলা এবং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সমবেদনা জানিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মতলব পৌরসভার সাবেক মেয়র এনামুল হক বাদল। খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. শহীদ মিয়াজীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি সোয়েব আহমেদ সরকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাগর, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এএসএম বদরুদ্দোজা দুলাল পাটোয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুলতান কাজী প্রমুখ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল হক জহির, যুগ্ম আহ্বায়ক মিরান হোসেন মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম জিলানী তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর মিয়াজী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাবের ছিদ্দিকি, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মিরাজ মাহমুদ জিসানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গেল মাসের ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।