বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জ ফোরামের লক্ষ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হলে আলোকিত হবে জেলা : এএসপি সোহেল মাহমুদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ৩:৪২ পিএম
হাজীগঞ্জ ফোরামের লক্ষ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হলে আলোকিত হবে জেলা : এএসপি সোহেল মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিনিধি : হাজীগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর বুধবার সকাল ১০টায় হাজীগঞ্জ ফোরামের উদ্যোগে হানাদান মুক্ত দিবস উপলক্ষে ৯দিন ব্যাপী আলোচনা সভা এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতি উদ্বোধন করা হয়েছে।

বিজয়ের রজত জয়ন্তী এবং হাজীগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপনের মধ্য দিয়ে সামাজিক সাংস্কৃতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাজীগঞ্জ ফোরামের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।

৯দিন ব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসান মানিক।

হাজীগঞ্জ ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ড. আলমগীর কবির পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল) মো. সোহেল মাহমুদ।

Model Hospital

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, হাজীগঞ্জ ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হলে চাঁদপুর জেলা আলোকিত হবে। সামাজিক অঙ্গনে

আমরা আসলেই ভাগ্যবান এ অঞ্চলে যিনি অভিভাবক আছেন তিনি একজন মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। তিনি শুধু মুক্তিযোদ্ধা নন, মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছেন। বাংলাদেশ যে উদ্দেশ্য নিয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুক্ত করেছে তা আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে বিজয় চিনিয়ে এনেছে। স্বাধীন হওয়ার কারণে আজ এদেশে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে যাচ্ছে। দেশে যে ব্যাপক হারে উন্নয়ন হচ্ছে তা উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর কাতারে বাংলাদেশ জায়গা করে নিয়েছে। হাজীগঞ্জ ফোরামের যে সকল লক্ষ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হলে চাঁদপুর জেলা আলোকিত হবে। মানুষের কল্যানের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে অবদান রাখতে পারবে। হাজীগঞ্জ ফোরামের সকল লক্ষ উদ্দেশ্য বাস্তয়ান করতে পারলে এ অঞ্চলের মানুষ নিঃসন্দেহে কল্যাণ ভোগ করতে পারবে।

মো. জাহিদ হাসানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত মো. ইব্রাহিম খলিল, হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সেলিম, হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত মজুমদার, হাজীগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাছান রাব্বী, হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শরীফ মোল্লা প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্যানিটেশনারী পরিদর্শক শামছুল ইসলাম রমিজ, হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য অধ্যাপক এসএম চিশতী, হাজীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার, চাঁদপুর সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল হোসেন চৌধুরী, চাঁদপুর জেলা স্কাউটের যুগ্ম-আহবায়ক মো. মাসুদ খান, পপুলার বিডি নিউজের সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাবলু, হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম মিরাজ মুন্সী, ত্রাণ ও দূযোর্গ বিষয়ক সম্পাদক গাজী মহিনউদ্দিন, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সুজন দাস, সাংবাদিক মজিবুর রহমান রনি, মো. মজিব পাটওয়ারী, জহির হোসেন, নুরে আলম রাফী প্রমুখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital