বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ৬ দিন পর ১ জনের মৃত্যু

মতলব দক্ষিণে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ৬ দিন পর ১ জনের মৃত্যু

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব: প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩, ৮:০৫ পিএম
মতলব দক্ষিণে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ৬ দিন পর ১ জনের মৃত্যু

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব: চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে স্বামী-স্ত্রীসহ একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ হওয়ার পাঁচদিন পর ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২৮ মে রবিবার সকাল ৬টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কামরুল হোসেনের স্ত্রী রহিমা বেগম। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহত রহিমা বেগমের স্বামী কামরুল হোসেনের চাচাতো ভাই মো. সাজ্জাদ হোসেনসহ আত্মীয়স্বজন। এর আগে গত ২৩ মে রাতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ হয়।

জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৩ মে) রাতে মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়নের খর্গপুর গ্রামের তজুম উদ্দিন প্রধানীয়া বাড়ির মো. কামরুল হোসেনের বসতঘরে রান্না করতে গিয়ে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ঘরে থাকা কামরুল হোসেন, তার স্ত্রী রহিমা বেগম, মেয়ে ফাহিমা আক্তার, ফারিয়া আক্তার ও ভাতিজা মেহেদী হাসান (তাদেরকে উদ্ধার করতে গিয়ে) গুরুতর আহত হয়। পরে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্মরত চিকিৎসক তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে প্রেরণ করেন। ওই দিনই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কামরুল হোসেনের স্ত্রী ও তার মেয়ে ফারিয়া আক্তারের অবস্থা বেশি আশংকাজনক হওয়ায় তাদেরকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরে গত ৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গতকাল রবিবার সকাল ৬টার দিকে রহিমা বেগমের মৃত্যু হয়। বর্তমানে ফারিয়া আক্তার ও কামরুল হোসেন ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই ঘটনায় আহত কামরুলের বড় মেয়ে ফাহিমা আক্তার ও ভাতিজা মেহেদী হাসান চিকিৎসকের পরামর্শে নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

কামরুল হোসেনের আত্মীয়-স্বজনরা জানান, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ফারিয়ার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়েছে তাকে। তাদের চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। তাই সকলের সহযোগিতাও চেয়েছেন তারা।

Model Hospital

এদিকে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের আগুনে কামরুল হোসেনের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বর্তমানে পরিবারের লোকজনসহ আত্মীয়-স্বজন অন্যের ঘরে থাকছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।