ঢাকা ০৫:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মো. রিপন প্রধানিয়াকে (৩৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

Model Hospital

সোমবার (২৯ মে) বিকেলে চাঁদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছাড়াও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের পৃথক ধারায় আসামিকে অপহরণের অপরাধে আরও ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত রিপন প্রধানিয়া চাঁদপুর সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের প্রধানিয়া বাড়ির মৃত নোয়াব আলী প্রধানিয়ার ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামি রিপন প্রধানিয়া স্কুলে যাওয়ার পথে স্কুলছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিত। বিষয়টি ওই ছাত্রী তার বাবাকে জানায়। বাবা রিপনকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে সে আরও ক্ষিপ্ত হয়। ২০২০ সালের ২৬ মে ১১টার দিকে ওই স্কুলছাত্রী একটি দোকানে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করতে যায়। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করা রিপন ও তার সহযোগীরা স্কুলছাত্রীকে একটি অটোরিকশায় তুলে বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে কোমল পানীয়র সঙ্গে নেশা জাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে ধর্ষণ করে।

মেয়েকে তুলে নেওয়ার সংবাদ পেয়ে ওই দিন রাতেই চাঁদপুর সদর মডেল থানায় বিষয়টি অবহিত করেন এবং রিপন প্রধানিয়াকে আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি রিপন প্রধানিয়াকে গ্রেপ্তার এবং স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে।

তৎকালীন চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ বড়ুয়া মামলাটি তদন্ত শেষে ওই বছর ৩০ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাড. সাইয়েদুল ইসলাম বাবু বলেন, মামলাটিতে গত তিন বছরে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্যপ্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত আসামির উপস্থিতিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৪:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মো. রিপন প্রধানিয়াকে (৩৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

Model Hospital

সোমবার (২৯ মে) বিকেলে চাঁদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছাড়াও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের পৃথক ধারায় আসামিকে অপহরণের অপরাধে আরও ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত রিপন প্রধানিয়া চাঁদপুর সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের প্রধানিয়া বাড়ির মৃত নোয়াব আলী প্রধানিয়ার ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামি রিপন প্রধানিয়া স্কুলে যাওয়ার পথে স্কুলছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিত। বিষয়টি ওই ছাত্রী তার বাবাকে জানায়। বাবা রিপনকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে সে আরও ক্ষিপ্ত হয়। ২০২০ সালের ২৬ মে ১১টার দিকে ওই স্কুলছাত্রী একটি দোকানে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করতে যায়। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করা রিপন ও তার সহযোগীরা স্কুলছাত্রীকে একটি অটোরিকশায় তুলে বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে কোমল পানীয়র সঙ্গে নেশা জাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে ধর্ষণ করে।

মেয়েকে তুলে নেওয়ার সংবাদ পেয়ে ওই দিন রাতেই চাঁদপুর সদর মডেল থানায় বিষয়টি অবহিত করেন এবং রিপন প্রধানিয়াকে আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি রিপন প্রধানিয়াকে গ্রেপ্তার এবং স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে।

তৎকালীন চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ বড়ুয়া মামলাটি তদন্ত শেষে ওই বছর ৩০ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাড. সাইয়েদুল ইসলাম বাবু বলেন, মামলাটিতে গত তিন বছরে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্যপ্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত আসামির উপস্থিতিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।