বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ট্রেন থেকে বের হয়ে দেখি, চারপাশে ছিন্নভিন্ন হাত-পা পড়ে আছে’

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জুন, ২০২৩, ১০:০২ এম
‘ট্রেন থেকে বের হয়ে দেখি, চারপাশে ছিন্নভিন্ন হাত-পা পড়ে আছে’

ভারতের ওড়িশায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩৩ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন ৯ শতাধিক। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, গতকাল শুক্রবার রাতে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘনার উদ্ধারকাজ আজ শনিবার সকালেও চলছে।

এদিকে দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা জানাচ্ছেন তাঁদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা। দুর্ঘটনা কবলিত করমন্ডল এক্সপ্রেসে থাকা এক যাত্রী এনডিটিভিকে বলেন, ‘আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ ট্রেনটি লাইনচ্যুত হওয়ার শব্দে জেগে উঠি। আমার উপরে ১০-১৫জন মানুষ এসে পড়েছিল। আমি হাত ও ঘাড়ে প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছি।‘

ওড়িশার মুখ্য সচিব প্রদীপ জেনা এনডিটিভিকে বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার রাতে ওড়িশার বালাসোরে দুটি যাত্রীবাহী ট্রেন ও একটি মালবাহী ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বহু হতাহত হয়েছেন। অনেকে এখনো আটকা পড়ে আছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। উদ্ধারকাজ এখনো চলছে।‘

দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া অপর এক যাত্রী বলেন, ‘ট্রেন থেকে নেমে দেখি, চারদিকে ছিন্নভিন্ন হাত পা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে। দুর্ঘটনায় চেহারা বিকৃত হয়ে গেছে কারও কারও।‘

Model Hospital

রেল মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অমিতাভ শর্মা বলেন, ‘করমন্ডল এক্সপ্রেস ট্রেনটি কলকাতা থেকে চেন্নাই যাচ্ছিল। যাওয়ার পথে সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস নামের অপর একটি লাইনচ্যুত ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এ দুর্ঘটনায় একটি মালবাহী ট্রেনও ছিল।‘

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ শনিবার সকালে দুর্ঘনাস্থল পরিদর্শনে যাচ্ছেন। তিনি এক টুইটার পোস্টে বলেছেন, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা হয়েছে। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক, এই প্রার্থনা করি।

নরেন্দ্র মোদি দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ১০ লাখ রূপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া আহতদের পরিবার ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাবে ২ লাখ রূপি বলে জানিয়েছেন তিনি।

ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক বলেছেন, তিনিও আজ শনিবার ভোরে দুর্ঘটনাস্থলে যাবেন।

করমন্ডল এক্সপ্রেসের অপর এক যাত্রী অনুভব দাস এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে টুইটারে বলেছেন, এটি সম্ভবত সবচেয়ে বড় ট্রেন দুর্ঘটনা। আমি নিজেই অন্তত ২০০ থেকে ২৫০ জনের বেশি মৃত্যুর সাক্ষী হয়েছি। শত শত যাত্রী আহত হয়েছেন। অনেকের হাত পা শরীর বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এসব ভয়াবহ দৃশ্য আমি কখনেআই ভুলতে পারব না।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital