ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুর কারাগারে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আলম খাঁনের মৃত্যু

চাঁদপুর জেলা কারাগারে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. আলম খাঁনের (৫০) মৃত্যু হয়েছে। ৫ জুন সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

Model Hospital

আলম খান চাঁদপুর শহরের খলিশাডুলি ওয়াবদা গেইট এলাকার শামসুল হক খাঁনের ছেলে। তিনি চাঁদপুর জেলা শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং চাঁদপুর সদর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ছিলেন।

চাঁদপুর জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার মো. ইউসুফ বলেন, ‘সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে আলম খাঁন অসুস্থ্যতাবোধ করলে সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। পরে তাঁর পরিবারের সদস্যদের জানাই। পরিবারের সদস্যরাও তাৎক্ষণিক হাসপাতালে আসেন।’

আলম খাঁনের বাবা শামসুল হক খাঁন জানান, চাঁদপুর আইএফআইসি ব্যাংকে তার ছেলে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ঋণ ছিল। কিন্তু ঋণের চাইতে অধিক টাকার মর্গেজও ছিল ব্যাংকে। এরপরও মামলার কারণে তাঁর সাজা হয়। ছেলে মৃত্যুতে তিনি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করেননি।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সুশান্ত বিশ্বাস জানান, আলম খান নামে ব্যক্তির ইসিজি করে দেখা গেছে বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তিনি হাসপাতালেই মারা যান।

চাঁদপুর জেলা কারাগারের জেলার (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ মুনীর হোসাইন বলেন, গত ২১ এপ্রিল এনআই অ্যাক্টের ৫ মামলায় আসামি আলমকে কারাগারে পাঠানো হয়। আজ সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে বুকে ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে পড়লে কারাগারের সহকারী সার্জনের পরামর্শে সোয়া ৮টার দিকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মারা যান তিনি।

জেলার আরও বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক মৃত্যুর প্রমাণপত্রে মৃত্যুর কারণ এমআই কার্ডিওজেনিক শক উল্লেখ করেন। এই ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

চাঁদপুর কারাগারে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আলম খাঁনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩

চাঁদপুর জেলা কারাগারে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. আলম খাঁনের (৫০) মৃত্যু হয়েছে। ৫ জুন সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

Model Hospital

আলম খান চাঁদপুর শহরের খলিশাডুলি ওয়াবদা গেইট এলাকার শামসুল হক খাঁনের ছেলে। তিনি চাঁদপুর জেলা শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং চাঁদপুর সদর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ছিলেন।

চাঁদপুর জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার মো. ইউসুফ বলেন, ‘সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে আলম খাঁন অসুস্থ্যতাবোধ করলে সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। পরে তাঁর পরিবারের সদস্যদের জানাই। পরিবারের সদস্যরাও তাৎক্ষণিক হাসপাতালে আসেন।’

আলম খাঁনের বাবা শামসুল হক খাঁন জানান, চাঁদপুর আইএফআইসি ব্যাংকে তার ছেলে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ঋণ ছিল। কিন্তু ঋণের চাইতে অধিক টাকার মর্গেজও ছিল ব্যাংকে। এরপরও মামলার কারণে তাঁর সাজা হয়। ছেলে মৃত্যুতে তিনি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করেননি।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সুশান্ত বিশ্বাস জানান, আলম খান নামে ব্যক্তির ইসিজি করে দেখা গেছে বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তিনি হাসপাতালেই মারা যান।

চাঁদপুর জেলা কারাগারের জেলার (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ মুনীর হোসাইন বলেন, গত ২১ এপ্রিল এনআই অ্যাক্টের ৫ মামলায় আসামি আলমকে কারাগারে পাঠানো হয়। আজ সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে বুকে ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে পড়লে কারাগারের সহকারী সার্জনের পরামর্শে সোয়া ৮টার দিকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মারা যান তিনি।

জেলার আরও বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক মৃত্যুর প্রমাণপত্রে মৃত্যুর কারণ এমআই কার্ডিওজেনিক শক উল্লেখ করেন। এই ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।