বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবসে জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা

১১ জুন হলো গণতন্ত্রের মুক্তির দিবস, অন্ধকার থেকে আলোর পথের যাত্রা : আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জুন, ২০২৩, ১০:২৪ পিএম
১১ জুন হলো গণতন্ত্রের মুক্তির দিবস, অন্ধকার থেকে আলোর পথের যাত্রা : আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের দোয়া ও আলোচনা সভা রোববার (১১ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল।

তিনি বলেন, আওয়ামী পরিবারের জন্য এ দিনটি ঐতিহাসিক দিন, আওয়ামী পরিবারের আনন্দ বেদনার দিন। তৎকালীন সামরিক সরকার চেয়েছিলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কারাগারে বন্ধী করে রাখতে, তারা চক্রান্ত করেছিলো প্রদানমন্ত্রীকে চিরতরে মেরে ফেলার জন্য, কিন্তু সামরিক সরকার তা পারিনি। আজকে প্রধানমন্ত্রী জেলে থাকলে বাংলাদেশের চেহারা এমন হতো না।

আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নের দ্বার প্রান্তে আর এটা হয়েছে একমাত্র জননেত্রী শেখ হাসিনার কারনে। ২০০১-২০০৬ সাল সারাদেশে বিএনপি-জামাতের তাণ্ডবে মানুষ ভীত-সন্ত্রস্ত ছিল। মানুষের কথা বলার অধিকার ছিল না। আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হয়েছে। মূলত বিএনপি-জামাতের দুঃশাসনের কারণেই ১/১১ এর সৃষ্টি হয়েছিল। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই তৎকালীন সেনা সমর্থিত অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক ও বানোয়াট মামলা দেখিয়ে গ্রেপ্তার করেছিল। যে মানুষটি সারা জীবন মানুষের অধিকারের জন্য, ভোট ও ভাতের অধিকারের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করলো সেই মানুষটিকেই গ্রেপ্তার করেছিল।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, সেদিন শুধু শেখ হাসিনাকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি, গ্রেপ্তার করা হয়েছিল গোটা বাংলাদেশকে, অবরুদ্ধ করা হয়েছিল গণতন্ত্রকে। তার মুক্তির জন্য সারা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল। আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমেই আমরা সেদিন তাকে মুক্ত করেছিলাম। তাই ১১ জুন শুধু বঙ্গবন্ধু কন্যার কারাগার থেকে মুক্তির দিবস নয়, ১১ জুন হলো গণতন্ত্রের মুক্তির দিবস, অন্ধকার থেকে আলোর পথের যাত্রা।

দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন, আপনাদের প্রত্যেকটি ইতিহাস জানতে হবে এবং তা বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌছাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।

এসময় তিনি মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া চেয়ে বলেন আল্লাহ পাক যেন এমন নায়ককে বাচিয়ে রাখেন, এবং তাকে নেক হায়াত দান করেন।

চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাড. বদিউজ্জ্বামান কিরনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সন্তোষ দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম মিয়াজী, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির হোসেন মন্টু দেওয়ান, সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মনজুরুল আলম মাঝি, সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন ভূঁইয়া, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান কালু ভূইয়া, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, জেলা মৎস্য লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক দেওয়ান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি আতাউর রহমান পাটোয়ারী, জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, বঙ্গবন্ধু সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি অ্যাড. মোঃ হোসেন, জেলা মহিলা আওয়ামীলী নেত্রী রেনু বেগম প্রমুখ।

আলোচনা সবার শেষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital