শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সরজমিন প্রতিবেদন

৮৪নং আমুয়াকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের সত্যতা মিলেনি

মতলব উত্তর ব্যুরো প্রকাশিত: বুধবার, ১২ জুলাই, ২০২৩, ৯:৪২ পিএম
৮৪নং আমুয়াকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের সত্যতা মিলেনি

মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের ৮৪নং আমুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে ক’টি অনলাইন পত্রিকা ও অপপ্রচার করছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে। গত কয়েকদিন ক’টি অনলাইনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী বেগমের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করায় বিদ্যালয় ও প্রধান শিক্ষকের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে।

প্রকাশিত এসব সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী বেগম জানান প্রকাশিত সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলাম পারিবারিক কলহের জের ধরে আমার বিরুদ্ধে কল্পনাপ্রসূত বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য ফেইজবুকে স্ট্যাডার্স দিয়ে আমার ও আমার পরিবারের মান সম্মান ক্ষুন্ন করার অপতৎপরতা চালাচ্ছেন।

ওই সংবাদ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলাম নিজ ফেইজবুক পেইজে যে তথ্য উপস্থাপন করেছেন, তার কোন বাস্তবতা নেই। সভাপতি থাকাবস্থায় সকল বিল ভাউচারে তিনি স্বাক্ষর করেছেন। ব্যাংক থেকে তার স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ওই সময় কোন অনিয়ম হয়ে থাকলে তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসে অভিযোগ করতেন।

এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগতমান, বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতি ও নিয়মনীতি অনুসরণের কারণেই তিনি ইউনিয়ন পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ সভাপতি মনোনীত হয়েছিলেন।

Model Hospital

গজরা ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. অলি উল্যাহ বলেন, ৮৪নং আমুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী বেগমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের কথা অনলাইন পোর্টাল ও ফেইজবুক পেইজে সংবাদ আকারে দেয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে বিদ্যালয়ে সরজমিন তদন্ত করা হয়। তদন্তকালে । বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলামের সময়কালে সকল বিল ভাউচার দেখা হয়। সেখানে তার স্বাক্ষর রয়েছে, ক্যাশ ভাউচারেও তার স্বাক্ষর পাওয়া যায়। তার স্বাক্ষরেই ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়। বিদ্যালয়ের সকল বিল ভাউচারের ছায়া কপি জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

মতলব উত্তর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, । বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলামের কোন অভিযোগ থাকলে লিখিত ভাবে জানাতে পারতো। তিনি কোন লিলিত অভিযোগ করেনি, তারপরও বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরে সহকারি শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের আলোকে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital