ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সরজমিন প্রতিবেদন

৮৪নং আমুয়াকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের সত্যতা মিলেনি

মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের ৮৪নং আমুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে ক’টি অনলাইন পত্রিকা ও অপপ্রচার করছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে। গত কয়েকদিন ক’টি অনলাইনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী বেগমের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করায় বিদ্যালয় ও প্রধান শিক্ষকের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে।

Model Hospital

প্রকাশিত এসব সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী বেগম জানান প্রকাশিত সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলাম পারিবারিক কলহের জের ধরে আমার বিরুদ্ধে কল্পনাপ্রসূত বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য ফেইজবুকে স্ট্যাডার্স দিয়ে আমার ও আমার পরিবারের মান সম্মান ক্ষুন্ন করার অপতৎপরতা চালাচ্ছেন।

ওই সংবাদ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলাম নিজ ফেইজবুক পেইজে যে তথ্য উপস্থাপন করেছেন, তার কোন বাস্তবতা নেই। সভাপতি থাকাবস্থায় সকল বিল ভাউচারে তিনি স্বাক্ষর করেছেন। ব্যাংক থেকে তার স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ওই সময় কোন অনিয়ম হয়ে থাকলে তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসে অভিযোগ করতেন।

এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগতমান, বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতি ও নিয়মনীতি অনুসরণের কারণেই তিনি ইউনিয়ন পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ সভাপতি মনোনীত হয়েছিলেন।

গজরা ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. অলি উল্যাহ বলেন, ৮৪নং আমুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী বেগমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের কথা অনলাইন পোর্টাল ও ফেইজবুক পেইজে সংবাদ আকারে দেয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে বিদ্যালয়ে সরজমিন তদন্ত করা হয়। তদন্তকালে । বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলামের সময়কালে সকল বিল ভাউচার দেখা হয়। সেখানে তার স্বাক্ষর রয়েছে, ক্যাশ ভাউচারেও তার স্বাক্ষর পাওয়া যায়। তার স্বাক্ষরেই ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়। বিদ্যালয়ের সকল বিল ভাউচারের ছায়া কপি জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

মতলব উত্তর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, । বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলামের কোন অভিযোগ থাকলে লিখিত ভাবে জানাতে পারতো। তিনি কোন লিলিত অভিযোগ করেনি, তারপরও বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরে সহকারি শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের আলোকে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

ট্যাগস :

মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ

সরজমিন প্রতিবেদন

৮৪নং আমুয়াকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের সত্যতা মিলেনি

আপডেট সময় : ০৯:৪২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০২৩

মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের ৮৪নং আমুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে ক’টি অনলাইন পত্রিকা ও অপপ্রচার করছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে। গত কয়েকদিন ক’টি অনলাইনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী বেগমের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করায় বিদ্যালয় ও প্রধান শিক্ষকের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে।

Model Hospital

প্রকাশিত এসব সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী বেগম জানান প্রকাশিত সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলাম পারিবারিক কলহের জের ধরে আমার বিরুদ্ধে কল্পনাপ্রসূত বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য ফেইজবুকে স্ট্যাডার্স দিয়ে আমার ও আমার পরিবারের মান সম্মান ক্ষুন্ন করার অপতৎপরতা চালাচ্ছেন।

ওই সংবাদ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলাম নিজ ফেইজবুক পেইজে যে তথ্য উপস্থাপন করেছেন, তার কোন বাস্তবতা নেই। সভাপতি থাকাবস্থায় সকল বিল ভাউচারে তিনি স্বাক্ষর করেছেন। ব্যাংক থেকে তার স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ওই সময় কোন অনিয়ম হয়ে থাকলে তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসে অভিযোগ করতেন।

এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগতমান, বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতি ও নিয়মনীতি অনুসরণের কারণেই তিনি ইউনিয়ন পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ সভাপতি মনোনীত হয়েছিলেন।

গজরা ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. অলি উল্যাহ বলেন, ৮৪নং আমুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী বেগমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের কথা অনলাইন পোর্টাল ও ফেইজবুক পেইজে সংবাদ আকারে দেয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে বিদ্যালয়ে সরজমিন তদন্ত করা হয়। তদন্তকালে । বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলামের সময়কালে সকল বিল ভাউচার দেখা হয়। সেখানে তার স্বাক্ষর রয়েছে, ক্যাশ ভাউচারেও তার স্বাক্ষর পাওয়া যায়। তার স্বাক্ষরেই ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়। বিদ্যালয়ের সকল বিল ভাউচারের ছায়া কপি জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

মতলব উত্তর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, । বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলামের কোন অভিযোগ থাকলে লিখিত ভাবে জানাতে পারতো। তিনি কোন লিলিত অভিযোগ করেনি, তারপরও বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরে সহকারি শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের আলোকে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।