বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

ইত্তিহাদুল মাদারিসিল কওমিয়্যাহ কচুয়া ৫ম বৃত্তি পরীক্ষায়

কোয়া চাঁদপুর জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ ও এতিমখানার ১১ শিক্ষার্থীর বৃত্তি লাভ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২ আগস্ট, ২০২৩, ১১:৪৫ পিএম
কোয়া চাঁদপুর জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ ও এতিমখানার ১১ শিক্ষার্থীর বৃত্তি লাভ

চাঁদপুরের কচুয়ায় ইত্তিহাদুল মাদারিসিল কওমিয়্যাহ (কচুয়া থানা কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড) ৫ম বৃত্তি পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে কোয়া চাঁদপুর জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ ও এতিমখানা।

২০২৩ সালের ৫ম বৃত্তি পরীক্ষায় নুরানী ও হিফজ বিভাগ থেকে বিভিন্ন গ্রুপে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনসহ ১১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করে। বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হচ্ছেন, মো. মাসুম, মো. মাহমুদ মজুমদার, মো. ফরহাদ, মো. আবু বকর, মো. সাকিব, মো. জুনায়েদ, মো. মুরাদ হোসেন, মো. নাহিদ, মো. সিয়াম, সিহাব উদ্দীন ও মো. ইয়াসিন। গত ৩১ জুলাই সোমবার দুপুরে কচুয়া কেদ্রীয় জামে মসজিদে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরকে ক্রেস্ট প্রদান করেন, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর শায়েখ মাওলানা আব্দুল আউয়াল।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মো. খোরশেদ আলম কোম্পানির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ইত্তিহাদুল মাদারিসিল কওমিয়্যাহ সিলেবাস ভুক্ত এই মাদরাসাটি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণে করে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে।

উল্লেখ্য: কচুয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের কোয়া চাঁদপুর খোরশেদ আলম কোম্পানির বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ ও এতিমখানায় নুরানী এবং হিফজ বিভাগে মোট ১০০ জন শিক্ষার্থীকে অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা প্রাতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে ।

Model Hospital

কচুয়ায় সরকারি শেডের ওপর দোকান নির্মাণ! প্রশাসনের নির্দেশে সরানো হলো স্থাপনা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০০ পিএম
কচুয়ায় সরকারি শেডের ওপর দোকান নির্মাণ! প্রশাসনের নির্দেশে সরানো হলো স্থাপনা
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৮নং কাদলা ইউনিয়নের রঘুনাপুর বাজারে হাটের সরকারি শেডের উপর থেকে দোকান নির্মাণ করার অভিযোগে প্রশাসনের নির্দেশে দোকান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম উপস্থিতি থেকে সরকারি শেডের উপর থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিলে পরবর্তীতে দোকান সরিয়ে নেয়।
স্থানীয়রা জানান,কাদলা মৌজার সাবেক ১৫৫০ দাগের বিএস বর্তমান ২২২৪/৩৭৫৯ এর ৫ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেন নুরুল ইসলাম বেপারী। ওই জায়গাটি ব্যক্তি মালিকানা দাবী করে নুরুল ইসলাম বেপারীর ছেলেরা সরকারি শেডের উপর একটি অস্থায়ী দোকান নির্মাণ করেন। এই দোকান নির্মাণ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মালিকানা জায়গা অথবা সরকারি জায়গা বলে কুতুহল সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে অভিযোগ করলে স্থানীয় ভূমি অফিস ও সাংবাদিকরা সরে জমিনে আসলে জায়গার মালিক নুরুল ইসলাম বেপারীর ছোট ছেলে ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম ৫ শতাংশ জায়গার সকল কাগজপত্র গুলো উপস্থাপনা করেন। খারিজ, দাখিলা, দলিল ও সকল কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে দেখে ওই জায়গার প্রকৃতি মালিক নুরুল ইসলাম বেপারী। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ইউনিয়ন ভূমিক কর্মকর্তা  সরকারি শেডের উপর দোকানটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। বাজারের চারপাশের নির্দিষ্ট পরিধি বা সীমানাভুক্ত (পেরিফেরি) জন্য অপেক্ষা করতে নূরুল ইসলাম বেপারীকে বলে যান ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা।
ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু নাছির স্যারের নির্দেশে সরকারি শেডের উপর থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হলে, দোকান সরিয়ে নেয়। জায়গার সঠিক কাগজপত্র থাকলে, বাজারের চারপাশের নির্দিষ্ট পরিধি বা সীমানাভুক্ত (পেরিফেরি) জন্য অপেক্ষা করতে নূরুল ইসলাম বেপারীকে বলা হয়েছে।
ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম বলেন, দোকান নির্মাণ করা হয়েছে, আমার বাবার ক্রয়কৃত জায়গায়।দলিল, খারিজ, দাখিলাসহ সকল কাগজপত্র রয়েছে আমাদের। একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এই জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দখলে রয়েছে, কয়েক বছর আগে কাউকে না জানিয়ে জোরপূর্বক ঠিকাদার ও এলাকার একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করে সরকারি শেড আমাদের জায়গার উপর নির্মাণ করেন। আমরা তখন বাধা দিলেও, তারা বাঁধা অপেক্ষা করেও শেড তৈরি করেন।