বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর জমি ও গৃহ হস্থান্তর : কচুয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রেস ব্রিফিং

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ আগস্ট, ২০২৩, ৮:০৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর জমি ও গৃহ হস্থান্তর : কচুয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রেস ব্রিফিং

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জমি ও গৃহ হস্থান্তরের বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করেছেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নাজমুল হাসান।

৮ আগষ্ট মঙ্গলবার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে কচুয়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে আশ্রয়ন প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভূমি ও গ্রহহীন পরিবারের মাঝে ৯ আগষ্ট বুধবার ভূমি ও ঘর হস্তান্তরের বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন।

এসময় তিনি বলেন,মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবেনা’’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা বাস্তবায়নে সারাদেশে ন্যায় চতুর্থ পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে ৯ আগস্ট বুধবার কচুয়ায় ৩৮টি পরিবারের মাঝে জমি ও ঘর আনুষ্ঠানিক ভাবে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে হস্তান্তর করবেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ঘর গুলো হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে কচুয়াকে গৃহহীন ও ভূমিহীন মুক্ত করা হবে।

তিনি আরো বলেন,কচুয়া উপজেলার ৩টি স্থান মনপুরা,নাউলা,চক্রায় ৩৮টি ঘর হস্তাস্তরের জন্য সকল ধরনের প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে। প্রেস ব্রিফিংকালে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইবনে আল জায়েদ হোসেন,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.রাকিবুল ইসলাম,কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আলমগীর তালুকদার,সাধারন সম্পাদক সুজন পোদ্দারসহ কচুয়া প্রেসক্লাবের প্রিন্টিং ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

প্রসংগত: কচুয়া বিভিন্ন পর্যায়ে ৫৫টি পরিবারকে ইতিমধ্যে পুর্নবাসন করা হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিং শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নাজমুল হাসান প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদেরকে নিয়ে নাউলা আশ্রায়ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

কচুয়ায় সরকারি শেডের ওপর দোকান নির্মাণ! প্রশাসনের নির্দেশে সরানো হলো স্থাপনা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০০ পিএম
কচুয়ায় সরকারি শেডের ওপর দোকান নির্মাণ! প্রশাসনের নির্দেশে সরানো হলো স্থাপনা
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৮নং কাদলা ইউনিয়নের রঘুনাপুর বাজারে হাটের সরকারি শেডের উপর থেকে দোকান নির্মাণ করার অভিযোগে প্রশাসনের নির্দেশে দোকান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম উপস্থিতি থেকে সরকারি শেডের উপর থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিলে পরবর্তীতে দোকান সরিয়ে নেয়।
স্থানীয়রা জানান,কাদলা মৌজার সাবেক ১৫৫০ দাগের বিএস বর্তমান ২২২৪/৩৭৫৯ এর ৫ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেন নুরুল ইসলাম বেপারী। ওই জায়গাটি ব্যক্তি মালিকানা দাবী করে নুরুল ইসলাম বেপারীর ছেলেরা সরকারি শেডের উপর একটি অস্থায়ী দোকান নির্মাণ করেন। এই দোকান নির্মাণ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মালিকানা জায়গা অথবা সরকারি জায়গা বলে কুতুহল সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে অভিযোগ করলে স্থানীয় ভূমি অফিস ও সাংবাদিকরা সরে জমিনে আসলে জায়গার মালিক নুরুল ইসলাম বেপারীর ছোট ছেলে ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম ৫ শতাংশ জায়গার সকল কাগজপত্র গুলো উপস্থাপনা করেন। খারিজ, দাখিলা, দলিল ও সকল কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে দেখে ওই জায়গার প্রকৃতি মালিক নুরুল ইসলাম বেপারী। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ইউনিয়ন ভূমিক কর্মকর্তা  সরকারি শেডের উপর দোকানটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। বাজারের চারপাশের নির্দিষ্ট পরিধি বা সীমানাভুক্ত (পেরিফেরি) জন্য অপেক্ষা করতে নূরুল ইসলাম বেপারীকে বলে যান ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা।
ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু নাছির স্যারের নির্দেশে সরকারি শেডের উপর থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হলে, দোকান সরিয়ে নেয়। জায়গার সঠিক কাগজপত্র থাকলে, বাজারের চারপাশের নির্দিষ্ট পরিধি বা সীমানাভুক্ত (পেরিফেরি) জন্য অপেক্ষা করতে নূরুল ইসলাম বেপারীকে বলা হয়েছে।
ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম বলেন, দোকান নির্মাণ করা হয়েছে, আমার বাবার ক্রয়কৃত জায়গায়।দলিল, খারিজ, দাখিলাসহ সকল কাগজপত্র রয়েছে আমাদের। একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এই জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দখলে রয়েছে, কয়েক বছর আগে কাউকে না জানিয়ে জোরপূর্বক ঠিকাদার ও এলাকার একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করে সরকারি শেড আমাদের জায়গার উপর নির্মাণ করেন। আমরা তখন বাধা দিলেও, তারা বাঁধা অপেক্ষা করেও শেড তৈরি করেন।