বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পৌরসভার অব্যস্থাপনা নিয়ে কথা বলায় সাংবাদিক মহিউদ্দিনকে আক্রমণ, নিন্দা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১১:১৪ পিএম
পৌরসভার অব্যস্থাপনা নিয়ে কথা বলায় সাংবাদিক মহিউদ্দিনকে আক্রমণ, নিন্দা
ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি, দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার ফরিদগঞ্জ সংবাদদাতা, সহকারী অধ্যাপক মোঃ মহিউদ্দিন। পৌর এলাকার ভাটিরগাঁও গ্রামের চতুর্থ শ্রেণির ২জন শিক্ষার্থী ও তাদের বাবা-মাকে জুতা পেটার সংবাদ তিনি প্রেরণ করেছেন দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায়। সংবাদ ছাপা হয়েছে সেপ্টেম্বর মাসের ৩ তারিখ সোমবার। এ ছাড়া, পৌরসভার নানান সমস্যা তুলে ধরে সেগুলো সমাধান করার আহ্বান জানিয়ে জনসমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
এ সব ঘটনা কেন্দ্র করে সাংবাদিক মহিউদ্দিন এর ওপর চড়াও হন পৌর মেয়র, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী ওতার অনুগতরা। সাংবাদিকের নাম তুলে ৬ই সেপ্টেম্বর বুধবার ও পরদিন বৃহস্পতিবার ফরিদগঞ্জ বাজার ও মহিউদ্দিনের বাড়ি এলাকায় মিছিল করানো হয়েছে। ওই সব মিছিলে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (পরচ্ছিন্নতা কর্মী) নেতৃত্ব দিতে ও অংশ গ্রহণ করতে দেখা গেছে। এর বাইরে কয়েকজন ব্যক্তি ছিলেন।
তারা বলেছেন, আমরা নিরীহ মানুষ মিছিলে আসতে বলেছে, এসেছি। মিছিলে, সাংবাদিকের নাম উচ্চারণ করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ গালাগাল করা হয়। তাকে রাজাকার আখ্যা দিয়ে “জয়বাংলা” স্লোগান দেওয়া হয় ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করা হয়। মিছিল বের হয় ফরিদগঞ্জ পৌরসভা থেকে, শেষ হয় সেখানে।
সাংবাদিক মোঃ মহিউদ্দিন পৌর  এলাকার ১নং ওয়ার্ডের কেরোয়া মাওলানা আব্দুল মজিদ বাড়ির বাসিন্দা। তিনিসহ পৌর এলাকার শতাধিক লোক পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে চারদিন আগে সভা ও বুধবার বিকালে মানবন্ধন করেন।
এরপর, পৌর মেয়র ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিক মোঃ মহিউদ্দিনকে রাজাকার আখ্যা দিয়ে পৌরসভার বিভিন্ন কর্মচারী ও উপকারভোগীদের এনে ফরিদগঞ্জ বাজারে ওই মিছিল করানো হয়। বিক্ষোভ মিছিলে সাংবাদিক মোঃ মহিউদ্দিনের ফাঁসির দাবী জানানো হয়।
মিছিলে অংশ গ্রহণকারী ও পৌরসভার চতুর্থ কর্মচারী মো. শরীফ বলেছেন, আমরা পৌরসভায় চাকরি করি। মেয়র সাহেব উন্নয়ন অনেক করছেন। অথচ, সাংবাদিক মহিউদ্দিন মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছেন। তাই, পৌরসভার পক্ষে আমরা মিছিল করেছি।
সাংবদিক মো. মহিউদ্দিন সংবাদ করে ও পৌরসভার উন্নয়নের আহ্বান জানিয়ে সঠিক কাজ করেছেন উল্লেখ করে পৌর এলাকার মো. ছলেমান (৬০), নুরুল আমিন (৫৫), আবদুর রশিদ (৫৮), আলাউদ্দিন (৬২), ছিদ্দিকুর রহমান (৪৮), আবদুল বারেক(৩০), মোতালেব (৬৩), রশিদ (২৫), আমির হোসেন (৬২), সাবেক কা্উন্সিলর ইসমাইল হোসেন শেখ (৪০) প্রমুখ পৌর নাগরিকগণ  সাংবাদিককে নিয়ে কথিত মিছিল ও গালাগাল করার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।