বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শিক্ষার মানোন্নয়নে শাহমাহমুদপুরের ভরঙ্গারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৯:০৪ পিএম
শিক্ষার মানোন্নয়নে শাহমাহমুদপুরের ভরঙ্গারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ভর্তিযোগ্য শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি, নিয়মিত উপস্থিতি, ঝরেপড়া রোধ, শতভাগ পাশ ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ভরঙ্গারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষকবৃন্দ। এ নিয়ে নিয়মিত মা সমাবেশসহ বিভিন্ন সভা সমাবেশও করতে দেখা যায় এ প্রতিষ্ঠানটিতে।
বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভরঙ্গারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলামের পরিচালনায় উক্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও বলাখাল মকবুল আহমেদ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক তাজুল ইসলাম হাওলাদার।
আয়োজিত মা সমাবেশে মায়েদের স্বতঃর্স্ফূত উপস্থিতিতে এক উৎসব মূখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপস্থিত মায়েদের বক্তব্যে পূর্বের চেয়ে লেখাপড়া অনেক গুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মা সমাবেশে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও বলাখাল মকবুল আহমেদ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক তাজুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নসহ অন্যান্য চাহিদা পূরণের জন্য শিক্ষাবন্ধব সরকার বিভিন্ন বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি মায়েদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আগত মায়েদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাই হচ্ছে একটি শিশুর সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমার প্রথম ধাপ। মায়ের হাত ধরে গুটি গুটি পায়ে যখন একটি শিশু প্রথম বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় পা রাখে তখন শুরু হয় তার নতুন জগতে বিচরণ। এই বিচরণকে মসৃণ করতে মায়ের সচেতনতাই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রাথমিক শিক্ষায় ‘মা সমাবেশ’ নামক এই আনুষ্ঠানিকতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই মা সমাবেশের মাধ্যমেই সমাজকে সচেতন করা হয় শিশু শিক্ষার প্রতি নজর দেয়ার জন্য। শিশুর ভবিষ্যৎ গঠনে প্রথম পদক্ষেপ সাধারণত মা-ই নিয়ে থাকেন। তাই ‘মা সমাবেশ’ অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। মা সমাবেশের মাধ্যমে একজন মা আরও একাধিক মায়ের সাথে ভাব বিনিময়ের সুযোগ পেয়ে থাকেন যার দরূন সন্তানের জন্য সঠিক ও উপযুক্ত লক্ষ্য নির্ধারণে সহজ হয়।
উক্ত মা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ এমরান হোসেন, মাওলানা ফিরোজ খান, নাজমা বেগম, রাহাত বিন ইসলামসহ শিক্ষার্থীদের মায়েরা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।