বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রাজপথ ছিল আ’লীগের দখলে

ফরিদগঞ্জে সহিংসতা বিহীন হরতাল!

এস এম ইকবাল প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৩, ৭:৫০ পিএম
ফরিদগঞ্জে সহিংসতা বিহীন হরতাল!

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গত শনিবার ঢাকা সমাবেশ থেকে দেশব্যাপী সকাল সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয় বিএনপি।

তারই আলোকে ২৯ অক্টোবর রবিবার হরতাল থাকলেও বিএনপির স্থানে ফরিদগঞ্জ উপজেলার রাজপথ ছিল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দখলে। পাশাপাশি পুলিশের অবস্থান দেখা মিললেও মিলেনি বিএনপি বা তার অঙ্গসংগঠনের কোন নেতাকর্মীদের রাজপথে উপস্থিতি। যেকারণে উপজেলার কোথায় কোন সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চাঁদপুর-রায়পুর আঞ্চলিক সড়কের ফরিদগঞ্জ বাজার, বাসস্ট্যান্ড, চাঁদপুর-রামগঞ্জ সড়কের চান্দ্রা বাজার, ওয়াপদা অফিস, একতা বাজার, কামতা বাজার ও হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের মনতলা বাজার এবং ফকির বাজারে সব কিছু ছিল স্বাভাবিক পর্যায়ে। দোকান পাঠ খোলা থাকলেও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল কম। সড়কে চলাচল ছিল মিনি ট্রাক, মাইক্রোবাস, সিএনজি, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল।

এদিকে রবিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ফরিদগঞ্জ পৌর আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মাহফুজুল হকের নেতৃত্বে হরতাল বিরোধী শান্তি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

Model Hospital

একইদিন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি খাজে আহমেদ মজুমদারের নেতৃত্বে হরতাল বিরাধী শান্তি মিছিল বের করেন।

একইদিন উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন ভূঁইয় ইরানের নেতৃত্বে গৃদকালিন্দিয়া বাজারে হরতাল বিরোধী শান্তি মিছিল অনুষ্ঠিত হয় এবং সিআইপি জালালল আহমেদের পক্ষে উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি লোকমান হোসেন তালুদারের নেতৃত্বে হরতাল বিরোধী শান্তি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

তাছাড়া একইদিন উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক আবু সাহেদ সরকারের নেতৃত্বে উপজেলা আ’লীগের কার্যালয়ে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়া ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডসহ আশপাশের এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে এবং ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের টহল জোরদার ছিল।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, আমাদের কেন্দ্রীয় ভাবে ঢাকা কর্মসূচি ছিল বলে বিএনপির নেতাকর্মী ফরিদগঞ্জ রাজপথে অবস্থান নিতে এলোমেলো হয়েছে। তবে জনগণ এ হরতালকে সমর্থন দিয়ে ঘর থেকে তেমন একটা বের হয়নি।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাহেদ সরকার বলেন, কেন্দ্রীয় ভাবে নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা রাজপথে শান্তি বজায় রাখার লক্ষে অবস্থান নিয়েছি। আমরা উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্দেশনায় নিজ নিজ এলাকায় নেতাকর্মীরা সড়কে অবস্থান নিয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ ছিল যানবাহনে সাধারণ মানুষ চলাচলে যেন বিএনপি জামায়াত কোন বাধা প্রয়োগ করতে না পারে সে লক্ষ্যে কাজ করা।

ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের ওয়াপদা অফিস এলাকায় বিএনপি একটু বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু পুলিশের উপস্থিতির আগে ত্যাগ করে। তাছাড়া আর কোথায়ও কোন সমস্যা হয়নি। সব কিছু স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital