শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে সাংবাদিককে পিটিয়ে ফেলে রেখে গেছে সন্ত্রাসীরা : থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৮:২৮ পিএম
মতলব উত্তরে সাংবাদিককে পিটিয়ে ফেলে রেখে গেছে সন্ত্রাসীরা : থানায় অভিযোগ
সংবাদ প্রকাশের জের ধরে দৈনিক কালবেলার চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ মমিনুল ইসলামের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে বেধরক পিটিয়েছে স্থানীয় মাদক কারবারীরা। মমিনুল(৩৩) উপজেলার ছেঙ্গারচর পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের দেওয়ানজিকান্দি গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে।
১৬ ডিসেম্বর শনিবার সকালে মতলব উত্তর উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সামনের পাকা রাস্তার উপর এ হামলা চালানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হামলাকারীরা হচ্ছেন মোঃ আমির হোসেন মোল্লা (৪৫),মোঃ রাজিব মৃধা (২৮),মোঃ মিজান মোল্লা (৩৭)সহ আরও ৬/৭ জন। তারা প্রত্যেকেই ছেংগারচর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের ঘনিয়ারপাড়ের বাসিন্দা।
স্থানীয় মোঃ শাহাজালাল বেপারী, মোঃ বজলুল গনি, মোঃ ইমরান হোসেন, মোঃ সাব্বির লস্করসহ দেওয়ানজিকান্দি এলাকার বাসিন্দারা বলেন, মমিনুল খুবই নম্র ভদ্র ছেলে এবং পেশাদার একজন সাংবাদিক। অতছ তার ওপর হামলা চালানো আমির ও মিজান হচ্ছে ইয়াবা কারবারী। এছাড়াও তাদের নামে চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে থানায়। পুলিশ তাদের নানা সময়ে ধরলে সে সংবাদ পত্রিকায় আসলে ওরা মমিনুলকে চোখের সামনে দেখে সন্দেহ করে হুমকি ধমকি দিতো।
স্থানীয়রা আরও বলেন, সাম্প্রতি সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমির ও মিজানের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল হয়। একই সাথে মিজানকে গরু চুরির অপরাধে পুলিশ আটকের ঘটনা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। আর এই ভিডিও ভাইরাল ও পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশে মমিন জড়িত সন্দেহে তার ওপর এই অতর্কিতভাবে অমানবিক হামলা চালানো হলো। আমরা একজন ন্যায়পরায়ন সাংবাদিকের ওপর এমন ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে দৈনিক কালবেলার আহত সাংবাদিক মমিনুল ইসলাম বলেন, মতলব উত্তর উপজেলা মাঠে আয়োজিত মহান বিজয় দিবস অনুষ্ঠানে পেশাগত দায়িত্ব শেষ করে আমার নিজস্ব মোটর সাইকেলযোগে নিজ বাড়ীতে যাওয়ার জন্য রওনা দেই। পথেমধ্যে ওৎ পেতে থেকে সন্ত্রাসীরা আমাকে দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করে। হামলার সময় ওরা আমার মোবাইল ও প্যান ড্রাইভ ছিনতাই, মোটরসাইকেল ভাঙ্গচুর এবং মানিব্যাগে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। আমি আইনের কাছে ন্যায় বিচার পেতে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
অভিযোগ প্রসঙ্গে হামলাকারীরা গা ঢাকা দেয়ায় কারোরি বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার ওসি রাশেদ মোবারক বলেন, আমরা এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অপরাধীরা যেই হউক কোন ছাড় দেয়া হবেনা। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সাংবাদিক নির্যাতনকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম চাঁদপুর জেলাসহ মতলব উত্তরে কর্মরত সাংবাদিক সমাজ ও বিভিন্ন সুধী মহল।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital