বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে আপন ভাইসহ কয়েক পরিবার অবরুদ্ধ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৭:৩৯ পিএম
মতলব উত্তরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে আপন ভাইসহ কয়েক পরিবার অবরুদ্ধ

মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। তাদের আচার আচরনও সেরা। কিন্তু মাঝে মধ্যে এমন কিছু ঘটনা ঘটে তা বনের পশুকেও হারমানায়। তেমনি এক ঘটনা ঘটেছে মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের খাগকান্দা গ্রামে। আপন ভাইসহ কয়েকটি পরিবারের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। এতে স্থানীয় লোকজনের অনেক রাস্তা ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে।

উপজেলায় খাগকান্দা গ্রামের মৃত রপ্তে আলী প্রধানের ছেলে জহিরুল ইসলাম প্রধান একটি রাস্তা বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছে তার আপন ভাই সূরুজ্জামান প্রধানের পরিবারসহ আরো কয়েটি পরিবার। এতে তাদের অনেক রাস্তা ঘুরে আসা–যাওয়া করতে গিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিন বেশ কয়েকটি পরিবারসহ স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীাহ প্রায় শতাধিক মানুষ চলাচল করে থাকে। শুধু তাই নয়, বিল থেকে ধান–পাটসহ বিভিন্ন কৃষি পণ্যও এই রাস্তা ব্যবহার করে এলাকাবাসী বাড়িতে নিয়ে যান।

গত মঙ্গলবার ২০ ডিসেম্বর সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে জহিরুল ইসলাম প্রধান বাড়ির ভিতর টিন ও কাটা দিয়ে বেরা দিয়ে রেখেছে। এই বেরার মধো গাছ লাগিয়ে রেখেছে এবং একটি পাকা কবর রয়েছে ঐ খানে।

স্থানীয়দের সাথে কথা হলে জহিরুল ইসলাম প্রধানের ভাই সুরুজ্জামান প্রধান বলেন, জহির আমার ভাই বটে, কিন্তু তার আচার আচরনে তাকে ভাই বলতে ইচ্ছে করে না। সে আপন ভাইয়ের চলাচল কিভাবে বন্ধ করে। সে রাস্তা বন্ধ করার কারনে আমার পরিবারসহ আরো কয়েকটি পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পরেছে। সে ১৯৯২ সালে চাঁদপুরে চাকরিকালীন সময়ে ৪ লক্ষ্য টাকা আত্মসাৎ করে কুরিয়া চলে যায়। পরে সেই মামলায় আমাকে শেষ করতে হয়েছে। সে একজন প্রতারক ও সমাজ বিরুদী। মসজিদের বেতনও দেয়ন।

Model Hospital

মৃত আউয়ালের স্ত্রী মাকসুদা, একই বাড়ির ফয়েজ ও জুলহাস জানান, জহিরুল গোপনে অংশীদারদের সম্পত্তি কিনে এই ধরনের জামেলার সৃষ্টি করে। অংশীদার যতটুকু পাবে তার চেয়ে বেশি ক্রয় করে জোড় পূর্বক দখল করে। তাকে গ্রামের কেন মানুষ পছন্দ করে না। কেউ প্রতিবাদ করলে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে পুলিশের মাধ্যমে হয়রানি করে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম প্রধানের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।

গজরা ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ উল্লাহ মাস্টার বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। দেখেছি মানুষের চলাচল রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। এটা কোন ভাবেই কাম্য নয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital