বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুরে কারাগারে হত্যা মামলার হাজতি কচুয়ার বজলালের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৪, ৪:১৬ পিএম
চাঁদপুরে কারাগারে হত্যা মামলার হাজতি কচুয়ার বজলালের মৃত্যু

চাঁদপুর জেলা কারাগারে হত্যা মামলার এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১৪ জানুয়ারি) সকালে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

হাজতি বজলাল পাটিকর (৬২) চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার করৈয়া গ্রামের রাখাল চন্দ্র পাটিকরের ছেলে।

জেলা কারাগারের জেলার মুহাম্মদ মুনীর হোসাইন জানান, গত ২৮ ডিসেম্বর হত্যা মামলায় তাকে কারাগারে নিয়ে আসা হয়। তিনি আগে থেকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। সকালে তিনি অসুস্থ হলে কারাগারের স্বাস্থ্য সহকারী প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওমর ফারুক সবুজ মৃত ঘোষণা করেন।

Model Hospital

চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ আর এম জাহিদ হাসান বলেন, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে এসে আমি মরদেহ সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু।

আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।