বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে ৮শ’ পরিবারের মাঝে রুহুল এমপি’র কম্বল বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:৩৭ পিএম
মতলব উত্তরে ৮শ’ পরিবারের মাঝে রুহুল এমপি’র কম্বল বিতরণ

মতলব উত্তরে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল কম্বল বিতরণ করেন।

মতলব উত্তর ব্যুরো : চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এ্যাড. মো. নুরুল আমিন রুহুল বলেছেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনায় মানুষের মধ্যে স্থবিরতা দেখা গেছে। তারপরও দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে করোনা কালীন সময় সরকার গরীব অসহায় মানুষের পাশে থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া কোন মানুষের যাতে সমস্যা না হয়। শীতে একজন অসহায় মানুষও যাতে কষ্ট না পায় এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা সারা বাংলাদেশে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করছেন।

তিনি আরো বলেন, অসহায়দের পাশে যার যার সাধ্যমতো বৃত্তবানরা এগিয়ে আসলে দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে শীতের কষ্ট থেকে রক্ষা করা যাবে। সরকারের পাশাপাশি সবাইকে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। আসুন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে করোনাকালের এই শীতে শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে সবাই হাত বাড়িয়ে দিই।

২৫ ডিসেম্বর শনিবার সকালে নাউরী আহম্মদীয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ বান্ডার হতে বরাদ্দ পাওয়া ৪শ’ কম্বল ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের অসহায়, দরিদ্র ও শীতার্তদের মাঝে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

Model Hospital

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী শরিফুল হাসানের সভাপতিত্বে ও ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরকার মো. আলাউদ্দিনের সঞ্চালনায় কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, মো. সিরাজুল ইসলাম লস্কর, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান প্রধান, ছেংগারচর পৌরসভার প্যানেল মেয়র আবদুল মান্নান বেপারী, ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ, নাউরী আহম্মদীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম তাজুল ইসলাম, ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সরকার, সাবেক ছাত্রনেতা এ্যাড. মহাসিন মিয়া মানিক, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি দেওয়ান মো. জহির, ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্বপাদক মিরাজ খালিদ, যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নুরে আলম স্বপন প্রমুখ।

এছাড়া বেলা ১টায় ফরাজীকান্দি ইউনিয়নে গরীব ও অসহায় ৪শ’ পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন নুরুল আমিন রুহুল এমপি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন সরকার, সাবেক ছাত্র নেতা আবদুর রব প্রধান, সহ মতলব উত্তর উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।